১২ ডিসেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

অবাধ ও নিরপেক্ষ ইউপি নির্বাচনের দাবি ওয়ার্কার্স পার্টির

অবাধ ও নিরপেক্ষ ইউপি নির্বাচনের দাবি ওয়ার্কার্স পার্টির

স্টাফ রিপোর্টার ॥ তৃণমূলে গণতান্ত্রিক রাজনীতির বিকাশ ঘটাতে অবাধ ও নিরপেক্ষ ইউপি নির্বাচনের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি। দলটির নেতৃবৃন্দ বলেছেন, নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠান এখন সময়ের দাবি। তাই সকল প্রশ্নের উর্ধে ওঠে নির্বাচন আয়োজনের দাবি জানিয়েছে ১৪ দলের অন্যতম শরিক এই দলটি।

শুক্রবার বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির ১২-১৩ ফেব্রুয়ারির দু’দিনের কেন্দ্রীয় কমিটির সভা শুরু হয়েছে। তোপখানা রোডের দলীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সভা দল প্রধান রাশেদ খান মেননের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। প্রথমদিনে আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন অংশ নেয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয় দলটি। যাচাই বাছাই করে পার্টির পক্ষ থেকে যোগ্য প্রার্থীও চূড়ান্ত করা হবে।

নির্বাচন কমিশন দেশব্যাপী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করেছে। ২২ মার্চ থেকে ২২ জুন পর্যন্ত ৬ দফায় এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। দলের কেন্দ্রীয় কমিটির বৈঠকে নেতৃবৃন্দ বলেন, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন জাতীয় জীবনে সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। তৃণমূলে গণতন্ত্রকে বিকশিত করা ও জনগণের ক্ষমতায়নের ক্ষেত্রে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন মূল ভূমিকা পালন করে থাকে। দলীয় প্রতীকে ইউপি চেয়ারম্যান নির্বাচন এই নির্বাচনকে আরও গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছে। দলীয় পরিচয়ে নির্বাচন তৃণমূলে গণতান্ত্রিক রাজনীতির বিকাশ ঘটাবে। কিন্তু ঐ নির্বাচনের ওপর প্রশাসনের হস্তক্ষেপ, ভোটের আগে ফল নির্ধারণ, বুথ দখল, নমিনেশন ও নির্বাচন বাণিজ্য, অবাধ অর্থের ব্যবহার, সন্ত্রাস, সাম্প্রদায়িকতা-গণতান্ত্রিক রাজনীতির বিকাশকে বাধাগ্রস্তই করবে না কেবল, তাকে সমূলে ধ্বংস করবে।

নেতৃবৃন্দ বলেন, কেবল তাই নয়, সন্ত্রাস, সাম্প্রদায়িকতা ও জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে ১৪ দলসহ যে জাতীয় ঐক্য গড়ে উঠেছে তাকেও ক্ষুণœ করবে। এ অবস্থায় আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে অবাধ, স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ করা জাতীয় কর্তব্য। নির্বাচন কমিশনকে এটা নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে সকল গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল, সংগঠন ও ব্যক্তিকে এই প্রশ্নে এগিয়ে আসতে হবে। পুনরায় আওয়াজ তুলতে হবে, ‘আমার ভোট আমি দেব, যাকে খুশী তাকে দেব’। বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার পাশাপাশি এই শ্লোগানে জনগণকে ঐক্যবদ্ধ করে ইউপি নির্বাচনকে অবাধ, স্বচ্ছ নিরপেক্ষ করার দৃঢ় প্রত্যয় ঘোষণা করছে।”

সভায় পার্টির সাধারণ সম্পাদক ফজলে হোসেন বাদশা, ইকবাল কবির জাহিদ, জ্যোতি শংকর ঝন্টু, শরীফ শমশির, নজরুল ইসলাম হক্কানী, আলী আহমেদ এমরান, নজরুল হক নীলু, হবিবুর রহমান, অনিল বিশ্বাস, সালেহা সুলতানা, নজরুল ইসলাম, আনোয়ারুল হক বাবলু, দিপংকর সাহা দিপু, এ্যাড. আকসির এম চৌধুরী, এ্যাড. ফিরোজ চৌধুরী, সেকান্দর আলী, এ্যাড. এন্তাজ বাবু, মাসুদুর রহমান, জাকির হোসেন রাজু, সাব্বাহ আলী খান কলিন্স আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন।