২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কা তৃতীয় স্থান দখলের লড়াই

স্পোর্টস রিপোর্টার ॥ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার আশা পূর্ণ হলো না। সেমিফাইনালে অপ্রত্যাশিতভাবেই ওয়েস্ট ইন্ডিজ অনুর্ধ ১৯ দলের কাছে পরাজিত হয় বাংলাদেশ অনুর্ধ ১৯ দল। কিন্তু ফাইনালে উঠতে না পারলেও এবার আরেকটি পরীক্ষা মেহেদী হাসান মিরাজদের। সেটিও কম মর্যাদার নয়। আজ শ্রীলঙ্কা অনুর্ধ ১৯ দলকে হারাতে পারলেই এবারের বিশ্বকাপে তৃতীয় স্থান দখল করে শেষ করবে বাংলাদেশ। ফতুল্লার খান সাহেব ওসমান আলী স্টেডিয়ামে সকাল ৯টায় ম্যাচটি শুরু হবে।

এর আগে বাংলাদেশ যুব ক্রিকেট দলের সর্বোচ্চ সাফল্য ছিল ২০০৬ সালে শ্রীলঙ্কায় অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপে। সেবার বাংলাদেশ পঞ্চম স্থান দখল করে। সেই দলটিতে ছিলেন বর্তমানে বিশ্ব ক্রিকেটের অন্যতম তিন তারকা ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান, মুশফিকুর রহীম ও তামিম ইকবাল। অথচ এর আগের আসরটিতেই দেশের মাটিতে সুপার লীগে উঠতে ব্যর্থ হয়েছিল বাংলাদেশের যুবারা। শেষ পর্যন্ত প্লেট চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। সেই ব্যর্থতাকে পেছনে ফেলে পরের আসরেই নিজেদের সেরা সাফল্য পঞ্চম স্থানটা পায় বাংলাদেশ। এছাড়াও ১৯৯৮, ২০১০ ও ২০১৪ সালে প্লেট শিরোপা জয় করে। চলতি আসরের আগে সবমিলিয়ে তিনবার সুপার লীগ খেলতে পেরেছে বাংলাদেশ। এবার ছিল শিরোপা জয়েরই ফেবারিট। প্রথম ম্যাচেই গতবারের চ্যাম্পিয়ন দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে দুর্দান্ত সূচনা করা দলটি পুরো আসরেই দারুণ নৈপুণ্য দেখিয়েছে মিরাজের অধীনে। কিন্তু সেমিফাইনালে এসে ধাক্কায় খেয়ে যায়।

যে প্রতিপক্ষকে ধারাবাহিকভাবেই হারিয়েছে বাংলাদেশের যুবারা, তাদের কাছে হেরেই স্বপ্নভঙ্গ হয়েছে। তবে সেমিফাইনালে ওঠার সঙ্গে সঙ্গেই নিজেদের বিশ্বকাপ ইতিহাসে সবচেয়ে ভাল সাফল্য অর্জনের রেকর্ড গড়ে ফেলেছে। এবার সেটাকে আরও ভাল অবস্থানে নিয়ে যাওয়ার সুযোগ। আজ লঙ্কান যুবাদের হারিয়ে দিতে পারলেই বিশ্বের তিন নম্বর সেরা দলের তকমা পেয়ে যাবেন মিরাজরা। সেটাও বাংলাদেশ ক্রিকেটের জন্য লিখে ফেলবে নতুন এক মর্যাদার ইতিহাস। এটি হবে বাংলাদেশের পরবর্তী প্রজন্মের জন্যও উদাহরণ। এমন মনোভাব নিয়েই আজকের ম্যাচে জেতার জন্যই নামবে বাংলাদেশের যুবারা। তবে লঙ্কানরাও চাইবে জিততে। ২০০০ সালে নিজেদের সেরা সাফল্য হিসেবে রানার্সআপ হয়েছিল তারা। এবার দ্বিতীয় সেরা সাফল্য হিসেবে তৃতীয় স্থান দখলের সুযোগ।

নির্বাচিত সংবাদ