২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

পটুয়াখালীর সমাবেশে শহীদ সালামের রক্তমাখা জামা

দেশের অন্যান্য এলাকার মতো সাগরপাড়ের জেলা পটুয়াখালীতেও ১৯৫২ সালে লেগেছিল ভাষা আন্দোলনের ঢেউ। যা ছড়িয়ে পড়ে জেলার প্রতিটি প্রান্তে। বিশেষ করে পটুয়াখালী শহরে বিশাল জনসভায় ভাষা আন্দোলনের শহীদ সালামের রক্তমাখা জামা তুলে ধরা হলে জেলার মানুষ বিক্ষোভে ফেটে পড়ে। বরিশাল জেলা যুবলীগ সভাপতি হন পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ থানার রামপুর গ্রামের আলী আশরাফ ও সাধারণ সম্পাদক হন বর্তমান রাঙ্গাবালী উপজেলার বড় বাইশদিয়া ইউনিয়নের কাটাখালী গ্রামের আবদুল করিম মিয়া।

১৯৫২ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি কবি খন্দকার খালেককে আহ্বায়ক ও জালাল উদ্দিন আহমেদকে যুগ্ম আহ্বায়ক করে ‘পটুয়াখালী মহকুমা রাষ্ট্র ভাষা সংগ্রাম পরিষদ’-এর কমিটি পুনর্গঠন করা হয়। কমিটিতে অন্যান্যের মধ্যে ছিলেন গাজী আজাহার উদ্দিন, আবুল হোসেন আবু মিয়া, এ্যাডভোকেট গোলাম আহাদ চৌধুরী, জয়নাল আবেদীন শিকদার, এটিএম ওবায়দুল্লাহ, রাখাল ব্যানার্জী, আবদুল খালেক, বীরেশ্বর বসু, শিক্ষক অতুল চন্দ্র দাস, ধ্রুব জ্যোতি দত্ত, মজিবুর রহমান নয়া মিয়া, শাহাদত উল্লাহ, কাজল আহমেদ, দেবী দাস, এ্যাডভোকেট আবদুল মতলেব, শ্যামল চট্টোপাধ্যায়, দলিল উদ্দিন আহমেদ প্রমুখ। কমিটির মধ্যে না থেকেও ভাষা আন্দোলনে সাহসী ভূমিকা রেখেছেন পটুয়াখালী আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এমএলএ এমদাদ আলী, বিডি হাবিবুল্লাহ, সৈয়দ আশরাফ হোসেন, এ্যাডভোকেট কেবিএম শামসুল হক, আবদুর রাজ্জাক ভে-ার, শামসুল হক ভূইয়া, মাখন লাল দেউরি, শামসুল আলম, রাধেশ্যাম দেবনাথ, শংকর লাল দাস, অধ্যাপক গাজী নেছার উদ্দিন, হোসেন মিয়া মোক্তার, মোশারফ হোসেন বিশ্বাস, আবদুল মন্নান মিয়া, ডাক্তার কামরুন নেছা, এ্যাডভোকেট জেবুন নেছা প্রমুখ। ১৯৫২ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি পটুয়াখালী শহরে হরতাল, বিক্ষোভ মিছিল ও জুবিলি স্কুল ময়দানে গণসমাবেশ কর্মসূচী ঘোষণা করা হয়। প্রশাসনের সব বাধা উপেক্ষা করে এ কর্মসূচী পালন করা হয়। এদিন পটুয়াখালী শহরে স্মরণকালের বৃহত্তম গণসমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

Ñশংকর লাল দাশ, গলাচিপা থেকে