২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

পানির নিচে মাইক্রোসফটের তথ্যভাণ্ডার স্থাপন

পানির নিচে তথ্যভা-ার স্থাপনের জন্য ‘প্রজেক্ট ন্যাটিক’ নামের একটি প্রকল্প শুরু করেছে মাইক্রোসট। ডাটা সেন্টারের জন্য এমন অদ্ভুত জায়গা নির্বাচন অবশ্য এবার প্রথম নয়। ফেসবুক আর গুগলের দুইটি ডাটাসেন্টার রয়েছে দুটি অদ্ভুত জায়গায়। আর এই পরীক্ষা সফল হলে মাইক্রোসফটও যোগ দেবে এই তালিকায়। বিশ্বব্যাপী ব্যবহারের কারণে ডাটাসেন্টারগুলো সহজেই গরম হয়ে যায়, আর এর তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য ব্যয়বহুল কুলিং সিস্টেমের প্রয়োজন পড়ে। তাই বর্তমানে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এই ব্যয় এড়াতে প্রাকৃতিক কুলিং সিস্টেমের আশ্রয় নিচ্ছে। মূলত ঠা-া, শীতল আবহাওয়ায় ডাটাসেন্টার স্থাপন করে এই ব্যয় থেকে মুক্তির পথ খুঁজছে অনেক প্রতিষ্ঠানই। প্রজেক্ট ন্যাটিকের দ্বারা ভবিষ্যতে পানির নিচে তথ্যভা-ার স্থাপন করা যাবে কি না সে বিষয়টিও নিশ্চিত করা যাবে। যদি এই পরীক্ষা সফল হয় তাহলে ডাটা সেন্টারটি ২০ বছর বা তার বেশি সময় ধরে সচল থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। প্রজেক্টটি শুরু করে মাইক্রোসফট। মাইক্রোসফট কর্তৃপক্ষের মতে, তাদের পরিকল্পনা এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। মাইক্রোসফটের এই প্রজেক্ট ন্যাটিকের কনসেপ্ট মূলত ছিল প্রতিষ্ঠানটির একজন কর্মীর যে পূর্বে যুক্তরাষ্ট্রের নেভি সাবমেরিনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। পরবর্তীতে ২০১৪ সালের শেষের দিকে কনসেপ্টটির ওপর ভিত্তি করে প্রথম প্রোটোটাইপের নির্মাণকাজ শুরু করা হয়েছিল। পানির নিচে মাইক্রোসফটের এ প্রজেক্ট সম্বন্ধে পান্ড-আইটির প্রধান বিশ্লেষক চার্লস কিং বলেন, ‘বাতাসের চেয়ে পানি কুলিংয়ের জন্য অনেক বেশি কার্যকর’। মাইক্রোসফট কর্তৃপক্ষ বলছে, তাঁদের পরিকল্পনা এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে ক্লাউড সেবা দেয়ার ক্ষেত্রে আরও সুবিধা পাওয়া যাবে বলে মনে করছে মাইক্রোসফট। সমুদ্র তীরবর্তী ২০০ কিলোমিটার পর্যন্ত মানুষকে দ্রুতগতির সেবা দেয়া সম্ভব হবে এতে। এটি পরিবেশবান্ধব ও তথ্যভা-ার শীতল রাখার খরচ কমবে এতে। এর আগে ফেসবুক সম্প্রতি সুইডেনের লুলিয়াতে তথ্যভা-ার স্থাপন করছে। কারণ, এখানকার শীতল আবহাওয়া তথ্যভা-ারের কুলিং সেন্টারের কাজ করবে। এ ছাড়া আয়ারল্যান্ডের ক্লোনিতে আরেকটি তথ্যভা-ার স্থাপন করবে ফেসবুক। এখানকার বায়ুচালিত শক্তি কাজে লাগানোর পরিকল্পনা প্রতিষ্ঠানটি। ফিনল্যান্ডের হামিনাতে গুগলের ডেটা সেন্টার কুলিং সিস্টেম হিসেবে সমুদ্রের বায়ু কাজে লাগাচ্ছে।