১০ ডিসেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

গণতন্ত্রের জন্য নিজেকে উৎসর্গ করেছিলেন রাউফুন বসুনিয়া

  • স্মরণসভায় বক্তারা

বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার ॥ তিনি ছিলেন গণতন্ত্রকামী এক নিবেদিত পুরুষ। চিন্তা ও কাজের মধ্য দিয়ে তিনি গণতন্ত্রকে ভালবেসেছেন। সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে লড়াই সংগ্রাম করে গণতন্ত্রের জন্য জীবন দিয়েছেন। এর মধ্য দিয়ে প্রমাণিত হয়েছে, গণতন্ত্রই এদেশের মানুষের শেষ কথা এবং প্রকৃত চাওয়া। এ দেশের গণতন্ত্রকামী মানুষ শহীদ রাউফুন বসুনিয়াকে আজীবন স্মরণ করবেন। শহীদ বসুনিয়াসহ সকল গণতান্ত্রিক ন্যায্য দাবির আন্দোলনের শহীদদের আকাক্সক্ষার বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে এক সঙ্গে কাজ করতে হবে। শনিবার সকালে শহীদ রাউফুন বসুনিয়ার ৩১তম শাহাদাৎবার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হাজী মুহম্মদ মুহসীন হল মাঠে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন। এই আলোচনা সভার আয়োজন করে শহীদ রাউফুন বসুনিয়া স্মৃতি সংসদ। নানা কর্মসূচীর মধ্য দিয়ে শহীদ রাউফুন বসুনিয়াকে স্মরণ করা হয়েছে। এদিন সকাল নয়টায় বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক ও ছাত্র সংগঠনের পক্ষ থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়স্থ শহীদ রাউফুন বসুনিয়ার ভাস্কর্যে ফুলেল শ্রদ্ধা জানানো হয়। এছাড়া দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। ১৯৮৫ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন চলার সময় মুহসীন হল এলাকায় সংঘর্ষের সময় গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন তৎকালীন জাতীয় ছাত্রলীগের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাধারণ সম্পাদক এবং কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সম্পাদক ছাত্রনেতা রাউফুন বসুনিয়া।

আয়োজক সংগঠনের সভাপতি এ্যাডভোকেট রেজাউল করিম হিরনের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক লায়ন হামিদুল আলম সখার উপস্থাপনায় বক্তব্য রাখেন নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ওয়াহিদুজ্জামান চাঁন, রাজনৈতিক বিশ্লেষক সুভাষ সিংহ রায়, সাবেক ছাত্রলীগ নেতা বাহলুল মজনু চুন্নু, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য জাহাঙ্গীর কবির রানা, কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক বদিউল আলম বদি, জসীম উদ্দীন হল ছাত্রলীগের সভাপতি মেহেদী হাসান রনি প্রমুখ। এর আগে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন সংগঠনটির সভাপতি সাইফুর রহমান সোহাগ, সাধারণ সম্পাদক এসএম জাকির হোসেন, ঢাবি সভাপতি আবিদ আল হাসান, সাধারণ সম্পাদক মোতাহার হোসেন প্রিন্স প্রমুখ। আলোচনা সভায় বক্তারা আরও বলেন, গণতন্ত্র দেশের উন্নয়নের প্রথম শর্ত। গণতন্ত্রই এদেশের মানুষের একমাত্র চাওয়া। এদেশের মানুষ কখনো স্বৈরশাসনকে মেনে নেয়নি।