১৮ অক্টোবর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

মোবাইল চুরি নিয়ে দুই কিশোরকে নির্যাতন

স্টাফ রিপোর্টার, রাজশাহী ॥ এবার রাজশাহীর পবায় মোবাইল চুরির অভিযোগে এক স্কুলছাত্রকে হাত-পা বেঁধে নির্যাতন করা হয়েছে। এ সময় নির্যাতনের ওই দৃশ্য ভিডিওতে ধারণ করে রাখে নির্যাতনকারীরা। নির্যাতনের শিকার ওই ছাত্রের নাম জাহিদ হাসান (১৫)। সে পবার বাগসারা এলাকার ইমরানের ছেলে। শুক্রবার বিকেল ৩টার দিকে উপজেলার চৌবাড়িয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। চিকিৎসার জন্য জাহিদকে উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভর্তি করা হয়েছে। এদিকে ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে জাহিদের পরিবারকে হুমকি-ধমকি দিচ্ছে নির্যাতনকারীরা।

জাহিদের বাবা ইমরান জানান, জাহিদ শুক্রবার দুপুরে নিজেদের বাড়ি থেকে বের হয়ে নানার বাড়িতে বেড়াতে যাচ্ছিল। জাহিদ রাজশাহী-নওগাঁ মহাসড়কে পৌঁছালে সেখান থেকে ধরে নিয়ে যায় ওই এলাকার পলাশ, নাসির, জামাল, রাজ্জাক, অনিক ও তুহিনসহ বেশ কয়েকজন। পরে ফজলুর বারির ঘরে নিয়ে জাহিদের হাত-পা বেঁধে নির্যাতন করা হয়। এদিন রাত ১০টা পর্যন্ত চলে চুরির স্বীকারোক্তি আদায়ের জন্য নির্যাতন। আর নির্যাতনের ওই দৃশ্য তারা ভিডিওতে ধারণ করে রাখে। এরপর চুরির সঙ্গে জড়িত থাকার বিষয়টি প্রমাণিত না হওয়ায় জাহিদকে ছেড়ে দেয়া হয়। তবে ঘটনাটি কাউকে না জানাতে একটি সাদা কাগজে জাহিদের বাবার স্বাক্ষর নেয় ফজলুর বারির ছেলে রাকিব ও অন্যরা। আহত জাহিদ জানায়, শুক্রবার সকালে ফজলুর বারির ছেলে রাকিবের একটি মোবাইল চুরি হয়। ওই চুরির ঘটনায় এলাকার ইমন নামের ১৩ বছরের এক শিশুকে ধরে নিয়ে যায় ফজলুর বারির পরিবারের লোকজন। এরপর তারা ইমনকে মারধর করে। ইমন তখন ওই মোবাইল চুরির সঙ্গে জাহিদও জড়িত বলে স্বীকারোক্তি দিলে পরে তারা জাহিদকে ধরে নিয়ে মারিপট করে।

পবা থানার ওসি শরিফুল ইসলাম বলেন, শিক্ষার্থীকে নির্যাতনের কোন অভিযোগ আমরা পাইনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।