২১ অক্টোবর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

সাভারে স্বেচ্ছাশ্রমে গড়ে উঠেছে মুক্তিযুদ্ধের সর্ববৃহৎ পাঠাগার

সাভারে স্বেচ্ছাশ্রমে গড়ে উঠেছে মুক্তিযুদ্ধের সর্ববৃহৎ পাঠাগার

নিজস্ব সংবাদদাতা, সাভার ॥ ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল সম্পদায়ের মানুষের দীর্ঘকালের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনের চূড়ান্ত পরিণতি মুক্তিযুদ্ধ। ৯ মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর লাখো শহীদের রক্তের বিনিময়ে আমরা পেয়েছি স্বাধীনতা।

১৯৭৫ সালে স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যাকান্ডের পর পাকিস্তানি ভাবাপন্ন বাংলাদেশের নতুন সামরিক শাসকরা সুপরিকল্পিতভাবে একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও মূল্যবোধকে ধ্বংস করতে শুরু করে। আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে বিকৃত করে সম্পূর্ণরূপে পাল্টে দেয়ার চক্রান্ত শুরু হয়। এসব কারণে আমাদের নতুন প্রজন্মের তরুণ-তরুণীদের মধ্যে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস সম্বন্ধে নানারকম বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়েছে। বর্তমান সময়েও একটি দেশদ্রোহী মহল মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃত করার অপচেষ্টা করে যাচ্ছে।

মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃত করার এ অপচেষ্টাকে রুখে দেয়ার লক্ষ্যে এবং মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস সংগ্রহ, সংরক্ষণ, গবেষণা ও প্রচার নিয়ে কাজ করার উদ্দেশে মুক্তিযোদ্ধা সলিমুল্লাহ ও নুরুল ইসলাম মল্লিকের উদ্যোগে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের সাভার মডেল থানাধীন তেঁতুলঝোড়ার ‘জোরপুল’ এলাকায় ৩০ শতাংশ জমির উপর ১৯৯৫ সালের ১৭ মার্চ প্রতিষ্ঠিত হয় বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি পাঠাগার ও গবেষণা কেন্দ্র।

মুক্তিযুদ্ধ ই-আর্কাইভে আছে মুক্তিযুদ্ধের হাজারখানেক বইয়ের পিডিএফ, যা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে পাঠক পড়তে পারছেন। মুক্তিযুদ্ধ পাঠশালা' হলো মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উন্মুক্ত পাঠশালা কার্যক্রম, যার মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের অপপ্রচার নিয়ে পাড়া-মহলল্লায়-আড্ডায় উন্মুক্ত আলোচনা করা হয়।

স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে 'বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি পাঠাগার ও গবেষণা কেন্দ্র পরিচালনা করে ২১ জন মুক্তিযোদ্ধা।