২০ জুন ২০১৯  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

পেট্রোলিয়াম উপজাত পণ্য রফতানি বেড়েছে ৫৭৭ শতাংশ

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ ২০১৫-১৬ অর্থবছরের জুলাই-জানুয়ারি মেয়াদে সিমেন্ট, লবণ ও পাথর রফতানিতে লক্ষ্যমাত্রা অর্জন হয়নি। একই সঙ্গে গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় এ খাতের রফতানি আয়ও কমেছে। তবে বছরের ব্যবধানে পরিশোধিক পেট্রোলিয়াম উপজাত পণ্য রফতানি বেড়েছে ৫৭৭ দশমিক ৪৬ শতাংশ।

বাংলাদেশ রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্য অনুযায়ী, ২০১৪-১৫ অর্থবছরের সিমেন্ট, লবণ ও পাথর রফতানিতে আয় হয়েছে ৪৪ লাখ ৮০ হাজার মার্কিন ডলার। চলতি অর্থবছরের রফতানি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৪৮ লাখ ১০ হাজার মার্কিন ডলারের পণ্য। এর মধ্যে জুলাই-ডিসেম্বর মেয়াদে সিমেন্ট, লবণ ও পাথর রফতানি লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২৭ লাখ ১০ হাজার মার্কিন ডলারের পণ্য। এর বিপরীতে এই খাতে আয় হয়েছে ১২ লাখ ৯০ হাজার মার্কিন ডলার; যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৫২ দশমিক ৪০ শতাংশ কম। এতে আরও জানানো হয়েছে, গত অর্থবছরের প্রথম ৭ মাসে সিমেন্ট, লবণ ও পাথর রফতানিতে আয় হয়েছিল ৩১ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার। গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় চলতি অর্থবছরে ৫৯ দশমিক ০৫ শতাংশ কম বৈদেশিক মুদ্রা আয় হয়েছে এ খাতে।

সম্প্রতি প্রকাশিত এ প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ২০১৪-১৫ অর্থবছরে আকরিক ধাতু, ধাতুমল এবং ছাই রফতানিতে আয় হয়েছিল ৮৫ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার। এর মধ্যে জুলাই-জানুয়ারি মেয়াদে এ খাতে আয় হয়েছে ৫২ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার। চলতি অর্থবছরে এই খাতে রফতানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৮২ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার। এর মধ্যে অর্থবছরের প্রথম ৭ মাসে রফতানি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ৪৬ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার। এ সময়ে ধাতু, ধাতুমল এবং ছাই রফতানিতে আয় হয়েছে ৪৩ লাখ ১০ হাজার মার্কিন ডলার; যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৭ দশমিক ৩১ শতাংশ কম। একই সঙ্গে গত অর্থবছরের প্রথম ৭ মাসের তুলনায় ১৭ দশমিক ৯০ শতাংশ কম বৈদেশিক মুদ্রা আয় হয়েছে এ খাতের পণ্য রফতানিতে।

ইপিবির প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০১৪-১৫ অর্থবছরের পরিশোধিত পেট্রোলিয়াম উপজাত পণ্য রফতানিতে আয় হয়েছিল ৭ কোটি ৭৫ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার। গত অর্থবছরের প্রথম ৭ মাসে এই খাতে আয় হয়েছিল ৩ কোটি ৭ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার। চলতি অর্থবছরে পরিশোধিত পেট্রোলিয়াম উপজাত পণ্য রফতানি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৭ কোটি ৫০ লাখ ৭০ হাজার মার্কিন ডলারের। এর মধ্যে জুলাই-জানুয়ারি মেয়াদে রফতানি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ৪ কোটি ২৩ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলার। আলোচ্য সময়ে এ খাতে আয় হয়েছে ২০ কোটি ৮৩ লাখ ২০ হাজার মার্কিন ডলার; যা রফতানি লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৩৯২ দশমিক ০২ শতাংশ বেশি। একই সঙ্গে গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ৫৭৭ দশমিক ৪৬ শতাংশ বেশি বৈদেশিক মুদ্রা আয় হয়েছে পরিশোধিত পেট্রোলিয়াম উপজাত পণ্য রফতানিতে।

নির্বাচিত সংবাদ