২০ নভেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

পেট্রোলিয়াম উপজাত পণ্য রফতানি বেড়েছে ৫৭৭ শতাংশ

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ ২০১৫-১৬ অর্থবছরের জুলাই-জানুয়ারি মেয়াদে সিমেন্ট, লবণ ও পাথর রফতানিতে লক্ষ্যমাত্রা অর্জন হয়নি। একই সঙ্গে গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় এ খাতের রফতানি আয়ও কমেছে। তবে বছরের ব্যবধানে পরিশোধিক পেট্রোলিয়াম উপজাত পণ্য রফতানি বেড়েছে ৫৭৭ দশমিক ৪৬ শতাংশ।

বাংলাদেশ রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্য অনুযায়ী, ২০১৪-১৫ অর্থবছরের সিমেন্ট, লবণ ও পাথর রফতানিতে আয় হয়েছে ৪৪ লাখ ৮০ হাজার মার্কিন ডলার। চলতি অর্থবছরের রফতানি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৪৮ লাখ ১০ হাজার মার্কিন ডলারের পণ্য। এর মধ্যে জুলাই-ডিসেম্বর মেয়াদে সিমেন্ট, লবণ ও পাথর রফতানি লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২৭ লাখ ১০ হাজার মার্কিন ডলারের পণ্য। এর বিপরীতে এই খাতে আয় হয়েছে ১২ লাখ ৯০ হাজার মার্কিন ডলার; যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৫২ দশমিক ৪০ শতাংশ কম। এতে আরও জানানো হয়েছে, গত অর্থবছরের প্রথম ৭ মাসে সিমেন্ট, লবণ ও পাথর রফতানিতে আয় হয়েছিল ৩১ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার। গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় চলতি অর্থবছরে ৫৯ দশমিক ০৫ শতাংশ কম বৈদেশিক মুদ্রা আয় হয়েছে এ খাতে।

সম্প্রতি প্রকাশিত এ প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ২০১৪-১৫ অর্থবছরে আকরিক ধাতু, ধাতুমল এবং ছাই রফতানিতে আয় হয়েছিল ৮৫ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার। এর মধ্যে জুলাই-জানুয়ারি মেয়াদে এ খাতে আয় হয়েছে ৫২ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার। চলতি অর্থবছরে এই খাতে রফতানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৮২ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার। এর মধ্যে অর্থবছরের প্রথম ৭ মাসে রফতানি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ৪৬ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার। এ সময়ে ধাতু, ধাতুমল এবং ছাই রফতানিতে আয় হয়েছে ৪৩ লাখ ১০ হাজার মার্কিন ডলার; যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৭ দশমিক ৩১ শতাংশ কম। একই সঙ্গে গত অর্থবছরের প্রথম ৭ মাসের তুলনায় ১৭ দশমিক ৯০ শতাংশ কম বৈদেশিক মুদ্রা আয় হয়েছে এ খাতের পণ্য রফতানিতে।

ইপিবির প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০১৪-১৫ অর্থবছরের পরিশোধিত পেট্রোলিয়াম উপজাত পণ্য রফতানিতে আয় হয়েছিল ৭ কোটি ৭৫ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার। গত অর্থবছরের প্রথম ৭ মাসে এই খাতে আয় হয়েছিল ৩ কোটি ৭ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার। চলতি অর্থবছরে পরিশোধিত পেট্রোলিয়াম উপজাত পণ্য রফতানি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৭ কোটি ৫০ লাখ ৭০ হাজার মার্কিন ডলারের। এর মধ্যে জুলাই-জানুয়ারি মেয়াদে রফতানি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ৪ কোটি ২৩ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলার। আলোচ্য সময়ে এ খাতে আয় হয়েছে ২০ কোটি ৮৩ লাখ ২০ হাজার মার্কিন ডলার; যা রফতানি লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৩৯২ দশমিক ০২ শতাংশ বেশি। একই সঙ্গে গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ৫৭৭ দশমিক ৪৬ শতাংশ বেশি বৈদেশিক মুদ্রা আয় হয়েছে পরিশোধিত পেট্রোলিয়াম উপজাত পণ্য রফতানিতে।