১৯ এপ্রিল ২০১৯  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

ইউপি নির্বাচনের প্রথম ধাপ থেকে বাদ গেল ১৩টি

ইউপি নির্বাচনের প্রথম ধাপ থেকে বাদ গেল ১৩টি

স্টাফ রিপোর্টার ॥ দলীয়ভাবে প্রথম ধাপে অনুষ্ঠেয় নির্বাচনের ঘোষিত তফসিলের তালিকা থেকে ১৩টি ইউনিয়ন পরিষদকে বাদ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। সংশোধিত তালিকা অনুযায়ী আগামী ২২ মার্চ ৭৩৯টি ইউনিয়ন পরিষদে ভোটগ্রহণ করা হবে বলে কমিশনের নির্বাচন ব্যবস্থাপনা ও সমন্বয় শাখার সহকারী সচিব আশফাকুর রহমান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, সীমানা ও আইনি জটিলতায় এই ১৩টি ইউনিয়ন পরিষদকে প্রথম ধাপের নির্বাচন থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।

এগুলো হলো- পিরোজপুর জেলার নাজিরপুর উপজেলার শ্রীরামকাঠী, বরিশাল জেলার মেহেন্দিগঞ্জ, আলিমাবাদ, চর এক্করিয়া, লতা, গোবিন্দপুর, আন্দারমানিক, বরগুনা জেলার আমতলী উপজেলার আমতলী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার আইয়ুবপুর, চট্রগ্রাম জেলার ফটিকছড়ি উপজেলার নানাপুর, চুয়াডাঙ্গা জেলার আলমডাঙ্গা উপজেলার আইলহাস, নাগদহ এবং ভোলা জেলার দৌলতখান উপজেলার সৈয়দপুর ও লালমোহন উপজেলার লর্ডহার্ডিঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদ। সোমবার এ বিষয়ে নির্দেশনা মাঠ পর‌্যায়ে পাঠানো হয়েছে বলে আশফাক জানান।

৪ হাজার ২৭৯ ইউনিয়ন পরিষদে ছয় ধাপে ভোটের তারিখ চূড়ান্ত করে বৃহস্পতিবার নির্বাচন কমিশন স্থানীয় রিটার্নিং কর্মকর্তাদের বিস্তারিত তফসিল ঘোষণার দায়িত্ব দেয়। এর মধ্যে প্রথম ধাপে ২২ মার্চ ভোটের দিন করা হয় ৭৫২টি ইউনিয়ন পরিষদে, যার মধ্য থেকে বাদ গেল ১৩টি। প্রথম দফায় নির্বাচনে অংশ নিতে ২২ ফেব্রুয়ারির মধ্যে রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া যাবে। ২৩ ও ২৪ ফেব্রুয়ারি বাছাইয়ের পর মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ সময় রাখা হয়েছে ২ মার্চ। চেয়ারম্যান পদে নিবন্ধিত দলগুলো প্রার্থী মনোনয়ন দিতে পারবে; স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ারও সুযোগ থাকছে। তবে সাধারণ সদস্য ও সংরক্ষিত নারী সদস্য পদের ভোট হবে নির্দলীয়ভাবে।

এবার মনোনয়নপত্রের সঙ্গে হলফনামা ও টিআইএন নম্বর দেওয়ার বাধ্যবাধকতা রাখা হয়নি। বিধি অনুযায়ী প্রার্থীদের নির্ধারিত জামানত দিতে হবে। আচরণবিধি অনুযায়ী প্রতীক বরাদ্দের পরই প্রচারণা শুরু করতে পারবেন প্রার্থীরা। প্রথম ধাপের পর ৩১ মার্চ ৭১০টি, ২৩ এপ্রিল ৭১১টি, ৭ মে ৭২৮টি, ২৮ মে ৭১৪টি এবং ৪ জুন ৬৬০টি ইউনিয়ন পরিষদে ভোট হবে। এর আগে দেশে সব মিলিয়ে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন হয়েছে আটবার। সর্বশেষ ২০১১ সালে ২৯ মার্চ থেকে ৩ এপ্রিল প্রথম দফায় প্রায় ছয়শ ইউপিতে ভোট হয়। দ্বিতীয় দফায় ৩১ মে থেকে ৫ জুলাই তিন হাজার আটশর বেশি ইউপিতে নির্বাচন করা হয়।