২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

নূর হোসেনের সম্পদ অনুসন্ধানে দুদক টিমের পরির্দশন

নিজস্ব সংবাদদাতা, নারায়ণগঞ্জ॥ নারায়ণগঞ্জের আলোচিত সাত খুন মামলার প্রধান আসামী নূর হোসেন ও তার স্ত্রী রুমা আক্তার দুদকে যে সম্পদ বিবরণী জমা দিয়েছেন তা যাচাই বাছাই শুরু হয়েছে। সোমবার বেলা ১১টা থেকে সিদ্ধিরগঞ্জে সম্পদ অনুসন্ধান করতে গঠিত দুদকের টিম ওই অসুন্ধান কাজ শুরু করে। দুদকের উপ-পরিচালক মো. জুলফিকার আলী ও সহকারী পরিচালক শফিউল্লাহ এর নেতৃত্বে ওই অনুসন্ধান শুরু হয়।

দুদকের টিমটি প্রথমে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সিদ্ধিরগঞ্জের শিমরাইল মোড়ে অবস্থিত নূর হোসেনের মালিকানাধীন হাজী বদরউদ্দিন সুপার মার্কেটটি পরিদর্শন করেন। পরে তারা শিমরাইল টেকপাড়ার নূর হোসনের পুরাতন বাড়ি, নয়াআটির রসুলবাগের নূর হোসেনের স্ত্রীর নামে করা বাড়ি, মুক্তিনগর কিসমত মার্কেট এলাকায় তার বড় ভাই নূর ছালামের বাড়ি, রসুলবাগ এলাকায় তার ছোট ভাই মিয়া মোহাম্মদ নূর উদ্দিনের বাড়ি ও নূর হোসেনের মালিকাধীন পরিত্যক্তভাবে পড়ে থাকা এবিএস পরিবহনের ২১টি যাত্রীবাহী বাসসহ (যা শিমরাইল-নারায়ণগঞ্জ রুটে চলাচল করত) বিভিন্ন সম্পত্তি পরিদর্শন করেন। এ সময় নূর হোসেনের ছোট ভাই নুরুজ্জামান জজের নামে করা ৬ তলা বাড়িতে দুদকের টিমকে প্রবেশ করতে দেয়া হয়নি। দুদকের টিম দেখে বাড়ির নিরাপত্তা প্রহরী মূল ফটকে তালা বদ্ধ করে দেয়। পরে দুপুর ২টার দিকে দুদকের টিমটি সিদ্ধিরগঞ্জ এলাকা ত্যাগ করেন। তবে অনুসন্ধানের সময়ে নূর হোসেনের স্ত্রী রুমা আক্তার বাড়িতে থাকলেও তিনি দুদকের কর্মকর্তাদের সাথে কোন কথা বলতে রাজি হননি।

এ ব্যাপারে তাৎক্ষনিক কিছু জানাতে রাজী হননি অনুসন্ধান টিমের নেতৃত্বধানকারী উপ-পরিচালক মো. জুলফিকার আলী। তিনি জানান, আমরা এখনও অনুসন্ধান চালাচ্ছি। অনুসন্ধান শেষে যাচাই বাছাই শেষে মামলা হলেও বিষয়গুলো জানানো হবে।

উল্লেখ্য, ২০১৪ সালের ২৭ এপ্রিল ঢাকা-নারায়ণগঞ্জের লিঙ্করোডের লামাপাড়া থেকে নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের প্যানেল মেয়র নজরুল ইসলাম ও সিনিয়র আইনজীবি চন্দন সরকারসহ সাতজনকে অপহরণ করা হয়। ৩০ এপ্রিল নজরুলসহ ৬ জন ও ১ মে ১ জনের লাশ শীতলক্ষ্যা নদী থেকে উদ্ধার করা হয়। এরপর নূর হোসেন ভারতে পালিয়ে যায়। গত বছরের ১২ নভেম্বর ভারত থেকে দেশে আনা হয় নূর হোসেনকে।

নির্বাচিত সংবাদ