১২ ডিসেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

বিবাহিত এক নারীকে লেখা পোপ জন পলের গোপন চিঠি-

প্রয়াত দ্বিতীয় পোপ জন পল ও বিবাহিত এক নারীর মধ্যে আদান প্রদান হওয়া কয়েক শ’ চিঠি খুঁজে পেয়েছে বিবিসি। চিঠিগুলো আবেগপ্রবণ এক গভীর সম্পর্কের ধারণা দেয় বলে সংবাদদাতারা বলছেন।

পোল্যান্ডের বংশোদ্ভূত আমেরিকান দর্শনবিদ আনা তেরেসা তিমিনিয়েতস্কার সঙ্গে তার এই চিঠি আদান প্রদান শুরু হয় সেই ১৯৭৩ সালে। তখনও পোপ নির্বাচিত হননি তিনি। মিজ তিমিনিয়েতস্কা একটি বই সম্পর্কে প্রথম যোগাযোগ করেন ভবিষ্যৎ পোপের সঙ্গে। তখন তিনি ছিলেন কার্ডিনাল ক্যারোল উইত্তেভা। এর পর থেকে তাদের নিয়মিত যোগাযোগ ছিল। এমন প্রায় কয়েক শ’ মতো চিঠি পোল্যান্ডের জাতীয় লাইব্ররিতে লুকানো ছিল। এসব চিঠিতে ফুটে উঠেছে বিভিন্ন সময়ে আনা তেরেসা তিমিনিয়েতস্কার পোপের সঙ্গে অবকাশ যাপন করেছেন। ক্যাম্পিং ও স্কি ট্রিপে অংশ নিয়েছেন। বিরল কয়েকটি ছবিতে দুজনকে দেখা যাচ্ছে তাঁবুর সামনে। ১৯৭৮ সালে পোপ নির্বাচিত হওয়ার পর দীর্ঘদিন টিকে ছিল তাদের বন্ধুত্ব। কিন্তু পোপ জন পল কখনও কৌমার্য ব্রত ভেঙেছেন কিনা সেটি এসব চিঠিতে পরিষ্কার নয়। -বিবিসি

ভয়াবহ আগুনে ছাই মেক ইন ইন্ডিয়ার মঞ্চ

একটু আগেই মঞ্চ ছেড়েছেন অমিতাভ বচ্চন। আমির খান তখনও মেক আপ ভ্যানে। হঠাৎই মঞ্চের নিচের অংশটি দাউদাউ করে জ্বলতে শুরু করে। সমুদ্র সৈকত ঘেঁষা গিরগাম চৌপট্টির আলো ঝলমলে মঞ্চের ঘড়িতে তখন সাড়ে আটটা। মেক ইন ইন্ডিয়া সপ্তাহের দ্বিতীয় দিনে সবে শুরু হয়েছে ‘মহারাষ্ট্র রজনী’। উপস্থিত রয়েছেন মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফডণবীস, রাজ্যপাল সি বিদ্যাসাগর রাও, শিবসেনা প্রধান উদ্ধব ঠাকরেসহ অনেক ভিআইপি। রয়েছেন হেমা মালিনী, আমির খান, প্রসূন জোশীসহ বহু বলিউড তারকাও। খবর আনন্দবাজার পত্রিকা অনলাইনের।

মঞ্চে তখন মরাঠি লোকনৃত্যের একটি অনুষ্ঠান হচ্ছে। আগুন যে লেগেছে, মঞ্চের উপর জনাপঁচিশেক শিল্পী প্রথমে তা টের পাননি। পরে দর্শক ও অনুষ্ঠানের কর্মকর্তাদের চিৎকারে তারা মঞ্চ ছাড়েন। মুহূর্তে ছড়িয়ে পড়ে আগুন। উপকূলবর্তী এলাকা বলেই সমুদ্রের বাতাসে আগুন ভয়াবহ চেহারা নেয়।

মেক ইন ইন্ডিয়ার এই সপ্তাহব্যাপী অনুষ্ঠানে অংশ নিচ্ছে আট হাজার দেশী ও আড়াই হাজার বিদেশী সংস্থা। থাকছেন ৬৮টি দেশের সরকারী প্রতিনিধিরা এবং ৭২টি দেশের বাণিজ্য প্রতিনিধি। উদ্বোধনের পরের দিনেই এভাবে অগ্নিকা-ের ঘটনায় আন্তর্জাতিক বাজারে ভারতের ভাবমূর্তি ক্ষুণœ হবে কি না, সেই আশঙ্কাও অনেকে প্রকাশ করেছেন।