১৯ অক্টোবর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

বনের কাঠ পুড়ছে ইটভাঁটিতে

  • দমনে ব্যর্থ বন বিভাগ

নিজস্ব সংবাদদাতা, বাঁশখালী, ১৫ ফেব্রুয়ারি ॥ দক্ষিণ চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে পাহাড়ের পাদদেশেই তৈরি হচ্ছে ইট। স্থাপিত হচ্ছে অবৈধ ভাঁটি। এসব দমনে বন বিভাগ ব্যর্থ। নতুন নতুন গড়ে ওঠা ওই সব অবৈধ ইটভাঁটিতে নির্বিচারে পুড়ছে বনের কাঠ। সরকার একদিকে প্রকৃতি ও বন্যপ্রাণী রক্ষায় বিদেশীদের সহযোগিতায় কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। অন্যদিকে প্রভাবশালী মহলের গোপন আঁতাতে গড়ে উঠছে অবৈধ ইটভাঁটি। পাহাড় হতে দুই কিলোমিটার দূরে লাইসেন্স নিয়ে ইটভাঁটি তৈরির নির্দেশ থাকলেও তা শুধু কাগজে কলমে সীমাবদ্ধ। স্থানীয় প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে নতুন নতুন ভাঁটি তৈরি করলেও তাদের কিছুই করার নেই। বাঁশখালীর ইকোপার্ক সংলগ্ন জঙ্গল জলদী পাহাড়ী এলাকায় আমির হোসেনের মালিকানাধীন এমবি-৪ নামে গড়ে উঠছে বিশাল ইটভাঁটি। চুনতি-জলদী অভয়ারণ্য রেঞ্জ যখন প্রকৃতি ও পশুপাখি সংরক্ষণে কাজ করে যাচ্ছে সে সময়ে অভয়ারণ্য রেঞ্জের পাদদেশে ইটভাঁটি গড়ে উঠায় পরিবেশ মারাত্মক বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে বলে দাবি এলাকাবাসীর। একদিকে বন রক্ষার নাম দিয়ে কাজ করে যাচ্ছে সরকার ও ইউএসএডি’র বিভিন্ন গ্লোবাল ফান্ড। অন্যদিকে গড়ে উঠছে নিত্যনতুন অবৈধ ইটভাঁটি। সব মিলিয়ে এলাকাবাসীর অভিযোগ এ ইটভাঁটি তৈরি হয়ে গেলে প্রকৃতি ও বন হুমকির মুখে পড়বে। সোমবার বাঁশখালী সাতকানিয়ার স্থানীয় জনগোষ্ঠী জানায়, পাহাড়ের পাদদেশে পরিবেশ ধ্বংসকারী ইটভাঁটি রয়েছে ২১টি। এসব ইটভাঁটিতে বিপুল পরিমাণ পাহাড়ী কাঠ পোড়ানোর উদ্দেশ্যে মজুদ রয়েছে। কয়লার পরিবর্তে কাঠ পোড়ানোর ফলে দিন দিন বৃক্ষশূন্য হয়ে পড়ছে বনাঞ্চল। একটি গ্রুপ পাহাড়ী মাটি কেটে সরবরাহ করছে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে। এভাবে পাহাড় থেকে মাটি কাটার ফলে দিন দিন বিনষ্ট হচ্ছে পাহাড়ি ভূমি ও শ্রী হারাচ্ছে পাহাড়। কয়লার পরিবর্তে কাঠ ব্যবহার সম্পর্কে জানতে চাইলে মালিকগণ কয়লার সঙ্কটের কারণে কাঠ ব্যবহার করা হচ্ছে বলে জানান। কিন্তু স্থানীয়দের অভিযোগ কয়লার চেয়ে কাঠের দাম কম হওয়ায় বেপরোয়াভাবে পোড়াচ্ছে কাঠ।

শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সম্পত্তি উদ্ধার দাবিতে মানববন্ধন

নিজস্ব সংবাদদাতা, কিশোরগঞ্জ, ১৫ ফেব্রুয়ারি ॥ একাত্তরে শহীদ জেলা সদরের রশিদাবাদ সগড়া গ্রামের হিন্দু নারী মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের প-িত বাড়ির বেদখলকৃত সম্পত্তি উদ্ধার করে উত্তরাধিকারদের ফিরিয়ে দেয়ার দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার দুপুরে সাধারণ শিক্ষার্থী ও সচেতন এলাকাবাসীর উদ্যোগে শহরের আখড়াবাজার সেতুর ওপরে ঘণ্টাব্যাপী কর্মসূচীতে শহীদ হিন্দু পরিবারের স্বজন ও জেলার মুক্তিযোদ্ধারা অংশ নেন। পরে গণজাগরণ মঞ্চের সংগঠক শিবলী হাসান ও নারী মুক্তিযোদ্ধা ঊষা রাণীর নেতৃত্বে মুক্তিযোদ্ধাদের একটি প্রতিনিধি দল সদর ইউএনও কার্যালয়ে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বরাবরে স্মারকলিপি দিয়েছে।

এ সময় প-িত বাড়ির বেদখলকৃত ৬ একর ৩১ শতাংশ ভূমি উদ্ধারে স্থানীয় প্রশাসনকে আগামী ৭ দিনের আল্টিমেটাম দেয়া হয়। মানববন্ধন কর্মসূচীতে একাত্মতা প্রকাশ করে বক্তৃতা করেন জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের ডেপুটি কমান্ডার আঃ মান্নান, সাব্বির আহমেদ মানিক, শহীদদের স্বজন মুক্তিযোদ্ধা ঊষা রাণী দেবী, দীপাল প-িত, জেলা পূজা উদযাপন কমিটির সাধারণ সম্পাদক নারায়ণ দত্ত প্রদীপ, অধ্যাপক আবুল কাশেম, রঞ্জিত সরকার, গণজাগরণ মঞ্চের সংগঠক শিবলী হাসান, সৈনিক লীগ নেতা ফরিদ মিয়া প্রমুখ।