২৪ অক্টোবর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

নিজের খাবার নিজেই রান্না করেন জকোভিচ

নিজের খাবার নিজেই রান্না করেন জকোভিচ

অনলাইন ডেস্ক॥ টেনিসে একচ্ছত্র আধিধপত্য তার। কোর্টে রীতিমত অপ্রতিরোধ্য হয়ে উঠেছেন নোভাক জকোভিচ। কিন্তু কীভাবে, কী সেই রহস্য? তা জানতে হলে ফিরতে হবে ২০১০ সালে৷ যখন নিউট্রিশনিস্ট ডাঃ ইগর লক্ষ্য করেন, ম্যাচের মাঝামাঝি সময়েই হাল ছেড়ে বসছেন জকোভিচ৷ কিন্তু কেন?

তিনি কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে বলেন জকোভিচকে৷ আর সেই পরীক্ষার পরই ডাঃ ইগর নিশ্চিত হন, গুলটেন-এ অ্যালার্জি রয়েছে জকোভিচের৷ তাই গমের তৈরি খাবার, দুগ্ধজাতীয় খাবার খাওয়া একেবারেই উচিত নয় জকোভিচের৷ পাউরুটি, চিজ খাওয়া বন্ধ করে দেন তিনি৷ সেই সঙ্গে টমেটো দিয়ে তৈরি খাবারও খেতে নিষেধ করেন৷ জকোভিচকে গুলটেন বর্জিত খাবার খেতে বলেন৷

দু’সপ্তাহের মধ্যেই তফাত ধরা পড়ে৷ দেখা যায়, সত্যি সত্যিই জকোভিচের স্বাস্থ্যে প্রভাব পড়েছে৷ জকোভিচ তারপর থেকে গুলটেন বর্জিত খাবার খাওয়া বন্ধ করে দেন৷ বারো মাসের মধ্যেই তিনি হয়ে ওঠেন বিশ্বের এক নম্বর টেনিসতারকা৷ অর্থাৎ, ডায়েট চার্টই জকোভিচের সাফল্যের রহস্য৷ কিন্তু এর বাইরেও আরও একটি রহস্য আছে৷

সেটা কী? জকোভিচ নিজের খাবার নিজেই রান্না করে খান! কিন্তু এই যে এত জায়গায় ঘুরে বেড়াতে হয়, তখন কী করেন? জানা গেছে, জকোভিচ যে কোনও হোটেল ভাড়া নেওয়ার আগে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আগাম কথা বলে নেন৷ হোটেল কর্তৃপক্ষ যদি তাঁকে রান্নাঘরে গিয়ে খাবার বানানোর অনুমতি দেন, তা হলেই তিনি সেই হোটেলে রুম ভাড়া নেন৷ তাঁর খাবারের মধ্যে বেশির ভাগই থাকে শাকসবজি৷ এখানেই শেষ নয়৷ জকোভিচ খাওয়া-দাওয়ার সময়, ফোন বা ল্যাপটপ ভুলেও ব্যবহার করেন না৷ এমনকি টিভিও দেখেন না৷ একান্তে বসে খাওয়া-দাওয়া করেন৷ জকোভিচের এই ধীরস্থির ভাব আর এই ডায়েট চার্টই যে তাঁর সাফল্যের রহস্য, তা তিনি নিজের বইয়েই জানিয়েছেন৷