২০ নভেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

খালেদার বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্র: ফখরুল

স্টাফ রিপোর্টার ॥ শহীদের সংখ্যা নিয়ে মন্তব্যের কারণে খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে যে রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা হয়েছে, তার পেছনে গভীর ষড়যন্ত্র দেখতে তার দল বিএনপি। দলটির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ওই ‘মিথ্যা মামলা’ দিয়ে সরকার আসলে ‘ঘোলা পানিতে মাছ শিকার’ করতে চাইছে। তাদের উদ্দেশ্য খালেদাকে ‘রাজনীতি থেকে সরানো’। মঙ্গলবার রাজধানীতে এক আলোচনা সভায় ফখরুল বলেন, “দেশনেত্রীর বক্তব্যকে বিকৃত করে আজ তারা পানি ঘোলা করতে চাইছে। সেই ঘোলা পানিতে তারা মাছ শিকার করতে চাইছে।

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় ‘পাকিস্তানিদের কারাগারে’ বন্দি ছিলেন এবং তার পুরো পরিবার সে সময় ‘মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে সংগ্রাম’ করেছেন মন্তব্য করে ফখরুল বলেন, “আজ তার বিরুদ্ধে এ ধরনের মামলার অর্থই হলো- এখানে গভীর ষড়যন্ত্র রয়েছে। সেই ষড়যন্ত্রটি হচ্ছে, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে রাজনীতি থেকে দূরে সরিয়ে দেওয়া।”

গত ২১ ডিসেম্বর রাজধানীতে একটি আলোচনা সভায় খালেদা জিয়া মুক্তিযুদ্ধে শহীদের সংখ্যা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করে বলেন, “আজকে বলা হয় এত লক্ষ লোক শহীদ হয়েছেন। এটা নিয়েও অনেক বিতর্ক আছে যে আসলে কত লক্ষ লোক মুক্তিযুদ্ধে শহীদ হয়েছেন। নানা বই-কিতাবে নানা রকম তথ্য আছে।”

ফখরুল বলেন, “বিএনপি করেন না, মুক্তিযোদ্ধা রাজনীতিক মাহমুদুর রহমান মান্নাকে বিনা বিচারের আটক করে রাখা হয়েছে। সব মামলায় জামিনের পরও আমার দেশ পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মাহমুদুর রহমানের বিরুদ্ধে নতুন করে ভিত্তিহীন মামলা দিয়ে আটকে রাখা হয়েছে। এসবের উদ্দেশ্য একটাই- দেশে কেবল একটা দল থাকবে, আর কেউ থাকবে না। “তারা এদেশকে শাসন করবে, তারা এদেশকে লুণ্ঠন করবে। এটা তাদের পৈত্রিক সম্পত্তির দেশ। ১৯৭৫ সালেও একদলীয় বাকশাল করার চেষ্টা করেছিল। সেটা টিকিয়ে রাখা যায়নি।”

রাজধানীর ফটো জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন মিলনায়তনে এনপিপি চেয়ারম্যান ফরিদুজ্জামান ফরহাদের সভাপতিত্বে এ আলোচনা সভায় অন্যদের মধ্যে কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম, জাগপা সভাপতি শফিউল আলম প্রধান, এনডিপি চেয়ারম্যান খন্দকার গোলাম মুর্তজা, সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক সাঈদ আহমেদ, পিপলস লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ মাহবুব হোসেন, এনপিপি মহাসচিব মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তফা বক্তব্য দেন।