২০ নভেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

চট্টগ্রামে বাড়ছে কিডনি রোগীর সংখ্যা

আহমেদ হুমায়ুন, চট্টগ্রাম অফিস ॥ দিন দিন বাড়ছে কিডনি রোগীর সংখ্যা। তবে সেই হারে বাড়ছে না এ রোগের চিকিৎসার আধুনিক সুযোগ সুবিধা। ডায়াবেটিকসহ অন্যান্য রোগের জন্য এখানে বিশেষায়িত হাসপাতাল থাকলেও কিডনি রোগের জন্য এখনও কোন বিশেষায়িত হাসপাতাল গড়ে ওঠেনি। চট্টগ্রাম কিডনি ফাউন্ডেশন ২০তলা বিশেষায়িত হাসপাতাল করার সিদ্ধান্ত নিলেও এখনও নির্মাণ কাজ শুরু করতে পারেনি।

বিশেষায়িত হাসপাতাল গড়ে না ওঠায় একদিকে যেমন চট্টগ্রামে ডায়ালাইসিস ছাড়া অন্যান্য আধুনিক সেবা গ্রহণের সুযোগ মিলছে না, তেমনি সরকারীভাবে সেবা গ্রহণের সুযোগ কম থাকায় বেসরকারী হাসপাতালে ডায়ালাইসিস করতে গিয়ে রোগীদের বাড়তি অর্থ খরচ করতে হচ্ছে। অন্যদিকে ব্যয়বহুল চিকিৎসার কারণে চট্টগ্রামে প্রতিবছর কমপক্ষে পাঁচ হাজার কিডনি রোগী মারা যাচ্ছে। মারা যাওয়ার পেছনে রোগীদের অসচেতনতার পাশাপাশি আর্থিক অসচ্ছলতাকে দায়ী করছেন সংশ্লিষ্টরা।

চট্টগ্রাম কিডনি ফাউন্ডেশন নির্বাহী কমিটির সাধারণ সম্পাদক ডাঃ আবুল কাসেম জানান, সাধারণ জনসংখ্যার ১০ শতাংশ কিডনি রোগে ভোগেন। সেই হিসেবে চট্টগ্রাম নগরীতে ৫০ লাখ লোকসংখ্যা ধরলে কিডনি রোগী হবে ৫ লাখ। এরমধ্যে প্রতিবছর প্রায় ৫ হাজার লোকের কিডনি অচল হয়। কিন্তু ব্যয়বহুল চিকিৎসা খরচ, হাসপাতাল ও জনসচেতনতার অভাবে মাত্র দেড় থেকে ২ হাজার রোগী ডায়ালাইসিসের সুযোগ পান। অন্যরা চিকিৎসা সুবিধা থেকে বঞ্চিত হন। যারা ডায়ালাইসিস করতে আসেন তাদের মধ্যে থেকেও আর্থিক দৈন্যতায় প্রতি তিন মাস পরপর ছিটকে পড়ে অর্ধেক রোগী।

ক্লাস না করা শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা না নেয়ার সিদ্ধান্ত

রাবির আইন বিভাগ

রাবি সংবাদদাতা ॥ শিক্ষকদের অনঢ় সিদ্ধান্তে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) আইন বিভাগের প্রথম বর্ষের ও দ্বিতীয় বর্ষের ক্লাস না করা শতাধিক শিক্ষার্থী অনশন কর্মসূচী স্থগিত করেছেন। মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১২টায় বিভাগের এ্যাকাডেমিক কমিটির সভা শেষে শিক্ষকরা বাদ পড়াদের ‘পরীক্ষা না নেয়ার’ সিদ্ধান্ত জানালে তারা আন্দোলন স্থগিত করেন। জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ক্লাস উপস্থিতি না থাকায় প্রথম বর্ষের ৫৯ জন ও দ্বিতীয় বর্ষের ৪৫ জন শিক্ষার্থীকে পরীক্ষায় বসার সুযোগ দেয়া হয়নি। এর মধ্যে প্রথম বর্ষের পরীক্ষা সোমবার থেকে শুরু হয়েছে।

পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ দাবিতে রবিবার বেলা ১১টা থেকে আইন বিভাগের সভাপতির কক্ষের সামনে অনশন ও অবস্থান কর্মসূচী পালন করছিলেন তারা।

আইন বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক আবু নাসের মোহাম্মদ ওয়াহিদ বলেন, মঙ্গলবার বেলা ১১টায় অনুষ্ঠিত বিভাগীয় এ্যাকাডেমিক কমিটির জরুরী সভায় প্রয়োজনীয় ক্লাস উপস্থিতি না থাকা শিক্ষার্থীদের পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ দেয়া সম্ভব নয় বলে সিদ্ধান্ত হয়। ফলে তাদের প্রথম বর্ষের সঙ্গেই থাকতে হবে। তবে আমরা সব বর্ষের দ্রুত পরীক্ষা নেয়ার ব্যবস্থা গ্রহণ করব, যেন পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীরা সেশনজটে না পড়ে।