২০ অক্টোবর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

সতেরোতেই বিস্ময়!

স্পোর্টস রিপোর্টার ॥ গত বৃহস্পতিবার সতেরো বছরে পা দিয়েছেন ক্যান্ডেইস হিল। ইতোমধ্যেই বিশ্বব্যাপী নিজেকে মেলে ধরেছেন এই স্প্রিন্টার। ট্র্যাক এ্যান্ড ফিল্ডের এই আমেরিকান এ্যাথলেট অফিসিয়ালি বিশ্বের দ্রুততম বালিকা হওয়ার গৌরব অর্জন করলেন। পেশাদার খেলোয়াড়দের মধ্যে এখন পর্যন্ত তিনিই সবচেয়ে কম বয়সী আমেরিকান এ্যাথলেট। যিনি চলতি বছরেই ব্রাজিলের রাজধানী রিওতে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া অলিম্পিকে আমেরিকার জাতীয় দলের হয়ে অংশগ্রহণ করার স্বপ্ন দেখছেন।

গত বছরেই প্রথমবারের মতো পাদপ্রদীপের আলোয় উঠে এসেছিলেন ক্যান্ডেইস হিল। ১০০ মিটারে রেকর্ড ভাঙ্গেন তিনি। ফিনিশিং লাইন স্পর্শ করতে সেবার ১০.৯৮ সেকেন্ড সময় নেন ক্যান্ডেইস। এরপর আর পেছনের দিকে ফিরে তাকাতে হয়নি তাকে। পারফর্মেন্সের এই ধারাবাহিতা ধরে রাখতে মরিয়া আমেরিকার এই বিস্ময় বালিকা। সম্প্রতি তরুণ প্রতিভাবান এই আমেরিকান এ্যাথলেট চমকপ্রদ এক তথ্য দিলেন। জনপ্রিয় ‘সেভেনটিন’ সাময়িকীকে দেয়া এক সাক্ষাতকারে ক্যান্ডেইস জানান তার সঙ্গে প্রতিযোগিতায় নামলে ছেলেরাও না কি ভয় পায়। এ বিষয়ে সেভেনটিন এর মার্চ ইস্যুতে তিনি বলেন, ‘আমার বিপক্ষে কোন ধরনের প্রতিযোগিতায় নামতে ছেলেরাও ভয় পায় ...। যখন জানতে পারে যে আমি প্রতিযোগিতায় তাদের সঙ্গে অংশ নিচ্ছি তখন তারা প্রস্তুতির জন্য অধিক সময় নেয় অথবা লকার রুমে কোন না কোন কিছু সঠিকভাবে করতে ভুলে বসে তারা।’

তবে ট্র্যাক এ্যান্ড ফিল্ডে সুপারস্টার হিসেবে শুরু হয়নি ক্যান্ডেইস হিলের ক্যারিয়ার। প্রথম দিকে সে তার স্কুলের সপ্তম গ্রেডে অংশ নিত। সে দ্রুততম মেয়ে ছিল না। এমনকি তার প্রথম ২০০ মিটার স্প্রিন্টে হেরে গিয়েছিল। কিন্তু গত কয়েক বছর সে কঠোর পরিশ্রম করেছে। যে পরিশ্রম আর ত্যাগ-তিতিক্ষাই তাকে এই অবস্থান এনে দিয়েছে। বর্তমানে পেশাদার এ্যাথলেট হিসেবে নাম লেখানোয় স্কুল এবং কলেজের পর্যায়ে অংশগ্রহণ করতে হবে তাকে। আর তার দ্রুত পেশাদার হওয়ার পেছনে কাজ করছে স্পন্সর প্রতিষ্ঠান। বর্তমানে তার স্পন্সর প্রতিষ্ঠান হলো এ্যাসিক্স। পেশাদার হওয়ার শুরুর গল্পটা তার জন্য খুবই বিচলিত ছিল। এ বিষয়ে তিনি এক সাক্ষাতকারে বলেন, ‘পেশাদার হওয়ার শুরুতে আমি খুবই নার্ভাস ছিলাম। কারণ গত বছরেই আমি হাইস্কুলের দৌড়বিদ ছিলাম। কিন্তু এখন অনুধাবন করতে পারছি যে আমি ক্রমেই বড় হচ্ছি এবং আমার কাছে আসা সুযোগগুলোকে কাজে লাগাতে হবে।’