১৫ ডিসেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

উদীচীর দক্ষিণ এশীয় সাংস্কৃতিক কনভেনশন শুক্রবার শুরু

উদীচীর দক্ষিণ এশীয় সাংস্কৃতিক কনভেনশন শুক্রবার শুরু

অনলাইন রিপোর্টার॥ সামাজ্যবাদ ও সাম্প্রদায়িকতা বিরোধী ‘দক্ষিণ এশীয় সাংস্কৃতিক কনভেশনের’ আয়োজন করছে বাংলাদেশ উদীচী শিল্পী গোষ্ঠী।

তিনদিনব্যাপী এ কনভেনশন আগামী শুক্রবার শুরু হয়ে চলবে শনিবার পর্যন্ত।

আজ বুধবার সকালে ঢাকা রিপোর্টাস ইউনিটি (ডিআরইউ) মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে উদীচীর সাধারণ সম্পাদক প্রবীর সরদার এসব তথ্য জানান।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, শুক্রবার বিকেলে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির উন্মুক্ত মঞ্চে এ কনভেশনের উদ্বোধন করবেন প্রবীণ বিপ্লবী কমরেড জসীম উদ্দিন মন্ডল, কামাক্ষ্যা রায় চৌধুরী ও অধ্যাপক যতীন সরকার।

কনভেশনে সার্কভ‍ুক্ত আটটি দেশ ছাড়াও চীন, জাপান, ভিয়েতনাম, মায়ানমারসহ এশিয়ার বিভিন্ন দেশের সাংস্কৃতিক সংগঠন ও ব্যক্তিকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানে যোগ দিতে আগ্রহী তুরস্ক ও ফিলিস্তিনও।

প্রবীর সরদার বলেন, এরইমধ্যে কনভেনশনে অংশ নেওয়ার বিষয়টি ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, আফগানিস্তান, জাপানসহ বেশ কয়েকটি দেশ নিশ্চিত করেছে।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বিশিষ্ট সঙ্গীত শিল্পী ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব শুভেন্দু মাইতি, শুভপ্রসাদ নন্দী মজুমদার, সাংস্কৃতিক সংগঠক রতন বসু মজুমদার, সাংবাদিক মালিনী ভট্টাচার্য, কলামিস্ট রতন খাসনবীশও কনভেনশনে উপস্থিত থাকবেন।

অংশ নেবেন পাকিস্তানের প্রগতিশীল সাংবাদিক রাহাত সাঈদ, জাপানের লোক সংস্কৃতি গবেষক নাওমি ওয়াতানাবে।

৩ দিনব্যাপী অনুষ্ঠানে দক্ষিণ এশিয়ার সাম্রাজ্যবাদ ও সাম্প্রদায়িকতা বিরোধী সাংস্কৃতিক সংগ্রামের ধরণ এবং নানা অভিজ্ঞতা বিনিময় করবেন অংশগ্রহণকারীর‍া।

তিনি বলেন, অংশগ্রহণকারী দেশি-বিদেশি প্রতিনিধিদের আলোচনা, মতামত ও সম্মতির ভিত্তিতে তৈরি করা ‘ঢাকা ঘোষণা’, যা কনভেনশনের শেষ দিন বিকেলে পাঠ করা হবে।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, কনভেনশনে এরশাদ আলী নামে একজন অংশ নেবেন, যিনি মহান মুক্তিযুদ্ধে নৃশংস গণহত্যাগুলোর অন্যতম খুলনার চুকনগরে অসংখ্য মৃতদেহের মাঝ থেকে একটি জীবন্ত শিশুকে উদ্ধার করেন এবং পরবর্তীতে তাকে বড় করে তোলেন।

এছাড়া কনভেনশনে উন্মুক্ত চিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে। সেখানে সেরা চিত্রকর্ম অঙ্কনকারীকে দক্ষিণ এশীয় সম্মাননা দেওয়া হবে।

এক প্রশ্নের জবাবে উদীচীর সাধারণ সম্পাদক প্রবীর সরদার বলেণ, পাকিস্তানেও প্রগতিশীল আন্দোলনের অনেক ব্যক্তি আছেন। তাদের আমন্ত্রণ জানাতে অসুবিধা থাকার কোনো কারণ নেই। সরকারও কোনো আপত্তি করার কথা নয়। স্বরাষ্ট্র, পররাষ্ট্র ও সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে অবগত রয়েছেন।