২৩ অক্টোবর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

সিরিয়ায় স্থল অভিযানে মিত্রদের সমর্থন চায় তুরস্ক

  • অবরুদ্ধ এলাকায় ত্রাণবহর ঢোকার অনুমতি আসাদ সরকারের

রাশিয়া সমর্থিত প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদ বাহিনী ন্যাটো সদস্য দেশ তুরস্কের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় সীমান্তের কাছাকাছি অগ্রসর হওয়ার প্রেক্ষিতে সিরিয়ায় স্থল সৈন্য মোতায়েন করতে চায় তুরস্ক, সৌদি আরব ও কয়েকটি ইউরোপীয় দেশ। দেশটি সিরিয়ায় স্থল অভিযান চালাতে মিত্রদের কাছে সমর্থনও চেয়েছে। তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রী মঙ্গলবার এ কথা জানিয়েছেন। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র এমন অভিযানের বিষয় নাকচ করে দিয়েছে। এদিকে সিরিয়ায় অবরুদ্ধ সাতটি এলাকায় জাতিসংঘের মানবিক ত্রাণ সহায়তা দলকে ঢোকার অনুমতি দিয়েছে দেশটির সরকার। খবর ইয়াহু নিউজ ও বিবিসির।

সিরিয়ার সরকারী বাহিনী ও কুর্দি মিলিশিয়ারা মঙ্গলবার নতুন করে অগ্রগতি অর্জন করেছে। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে রুশ বিমান হামলার ফলে বিদ্রোহী বাহিনীর অবস্থানগুলো ভেঙে পড়েছে। ইরান সমর্থিত শিয়া মিলিশিয়া বাহিনী ও রুশ বিমান হামলার ছত্রছায়ায় সিরীয় সেনাবাহিনী তুর্কি সীমান্তের ২৫ কিলোমিটারের মধ্যে পৌঁছে গেছে। এদিকে কুর্দি যোদ্ধারাও তুর্কি সীমান্তে তাদের উপস্থিতি প্রসারিত করেছে। এই অগ্রগতি রাশিয়ার সঙ্গে তুরস্কের সামরিক সংঘাতের ঝুঁকি বাড়িয়ে দিয়েছে। তুরস্ক মঙ্গলবারও চতুর্থ দিনের মতো সিরিয়ায় কুর্দি ওয়াইপিজি মিলিশিয়াদের লক্ষ্য করে গোলাবর্ষণ করেছে। তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রী মেভলুত কাভুসোগলু এক সাক্ষাতকারে বলেছেন, আমাদের মতো কয়েকটি দেশ যেমন, সৌদি আরব ও পশ্চিম ইউরোপের কয়েকটি দেশ বলেছে, সিরিয়ায় স্থল অভিযান জরুরী। তবে এই ধরনের অভিযান শুধুমাত্র আঞ্চলিক শক্তিগুলোর উপরে ছেড়ে দেয়া উচিত হবে না। সৌদি আরব, তুরস্ক ও কাতার অভিযান চালাবে এমন আশা করা ঠিক নয় ও বাস্তবসম্মতও নয়। যদি এমন অভিযান পরিচালিত হয়, তাহলে তা জোটবাহিনীর বিমান হামলার মতো সবাইকে নিয়েই করতে হবে। এদিকে জঙ্গী সংগঠন ইসলামিক স্টেট (আইএস) অধিকৃত সিরীয় শহর আলেপ্পোর উত্তর-পূর্বাঞ্চলের দিকে কুর্দি বাহিনী তাদের অগ্রগতি অব্যাহত রেখেছে।

এদিকে জাতিসংঘ মহাসচিবের মুখপাত্র ফারহান হক জানিয়েছেন, ত্রাণবহর নিয়ে ‘যত দ্রুত সম্ভব’ সিরিয়ার অবরুদ্ধ এলাকাগুলোতে যাওয়ার প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। যেসব এলাকায় ত্রাণ সহায়তা নিয়ে যাওয়া হবে সেগুলোর মধ্যে মাদায়াও রয়েছে। বিশ্বের ক্ষমতাধর রাষ্ট্রগুলো গেল গত সপ্তাহে সিরিয়ায় ‘অস্ত্রবিরতি’ এবং দেশটিতে বৃহত্তর পরিসরে ত্রাণ সহায়তা পৌঁছানোর ব্যাপারে সম্মত হয়েছে।

নির্বাচিত সংবাদ