১৮ অক্টোবর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

রাসায়নিক দ্রব্য রফতানি বেড়েছে সাত শতাংশ

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ ২০১৫-১৬ অর্থবছরের জুলাই-জানুয়ারি মেয়াদে রাসায়নিক পণ্যদ্রব্য রফতানিতে আয় হয়েছে ৭ কোটি ২৩ লাখ ৭০ হাজার মার্কিন ডলার, যা এই সময়ের লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১ দশমিক ১২ শতাংশ বেশি। একই সঙ্গে গত অর্থবছরের প্রথম ৭ মাসের তুলনায় চলতি অর্থবছরের একই সময়ে এই খাতে রফতানি আয় ৭ দশমিক ৫০ শতাংশ বেড়েছে।

বাংলাদেশ রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্য অনুযায়ী, ২০১৪-১৫ অর্থবছরে রাসায়নিক পণ্যদ্রব্য রফতানিতে আয় হয়েছিল ১১ কোটি ১৯ লাখ ২০ হাজার মার্কিন ডলার। এর মধ্যে জুলাই-জানুয়ারি মেয়াদে এই খাতে আয় হয়েছিল ৬ কোটি ৭৩ লাখ ২০ হাজার মার্কিন ডলার। ২০১৫-১৬ অর্থবছরে রাসায়নি দ্রব্য রফতানি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১২ কোটি ৬৯ লাখ মার্কিন ডলার। এর মধ্যে অর্থবছরের প্রথম ৭ মাসে এই খাতে রফতানি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ৭ কোটি ১৫ লাখ ৭০ হাজার মার্কিন ডলার। এই সময়ের মধ্যে আয় হয়েছে ৭ কোটি ২৩ লাখ ৭০ হাজার মার্কিন ডলার, যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১ দশমিক ১২ শতাংশ বেশি।

রাসায়নিক পণ্যদ্রব্যের মধ্যে ফার্মাসিউটিক্যালস বা ওষুধ জাতীয় দ্রব্য রফতানিতে ২০১৫-১৬ অর্থবছরের জুলাই-জানুয়ারি মেয়াদে রফতানি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ৪ কোটি ৫১ লাখ ২০ হাজার মার্কিন ডলার। এ সময়ে এই খাতে আয় হয়েছে ৪ কোটি ৮৫ লাখ ১০ হাজার মার্কিন ডলার, যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৭ দশমিক ৫১ শতাংশ বেশি। একইসঙ্গে গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ১৭ দশমিক ৮৩ শতাংশ বেশি এটি।

আলোচ্য সময়ে রাসায়নিক সার রফতানিতে আয় হয়েছে ৫০ হাজার মার্কিন ডলার, যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৬৬ দশমিক ৬৭ শতাংশ বেশি। এছাড়া ২০১৫-১৬ অর্থবছরের জুলাই-জানুয়ারি মেয়াদে প্রসাধনী দ্রব্য রফতানিতে আয় হয়েছে ৫ লাখ ৭০ হজার মার্কিন ডলার, যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৪৪ দশমিক ১৯ শতাংশ কম। গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায়ও ৪৫ দশমিক ১৯ শতাংশ কম বৈদেশিক মুদ্রা আয় হয়েছে এই খাতে।

২০১৫-১৬ অর্থবছরের প্রথম ৭ মাসে অন্যান্য রাসায়নিক দ্রব্য রফতানিতে আয় হয়েছে ২ কোটি ৩২ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলার, যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৮ দশমিক ৪৩ শতাংশ কম। তবে গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায়ও ৭ দশমিক ৪৫ শতাংশ কম বৈদেশিক মুদ্রা আয় হয়েছে এই খাতের পণ্য রফতানিতে।

মামুন-উর-রশিদ স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক

মামুন-উর-রশিদ স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক হতে অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক পদে পদোন্নতি পেয়েছেন। মামুন ১৯৮৪ সালে ন্যাশনাল ব্যাংকে প্রবেশনারি অফিসার পদে যোগদান করেন। অতঃপর বিভিন্ন ব্যাংকে শাখা ব্যবস্থাপক, আঞ্চলিক ব্যবস্থাপক ও প্রধান কার্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগে দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন। মামুন ২০১৩ সালে স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক লিমিটেডে উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে যোগদান করেন। অত্র ব্যাংকে যোগদানের পূর্বে তিনি ইউসিবিএল ও প্রিমিয়ার ব্যাংকের ডিএমডি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। -বিজ্ঞপ্তি

আইসিবির নতুন ডিএমডি আফজালুল বাসার

আফজালুল বাসার ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশের (আইসিবি) উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে সম্প্রতি যোগদান করেছেন। তিনি ১৯৮৩ সালের ৭ জুন সিনিয়র অফিসার হিসেবে জনতা ব্যাংকে যোগদানের মাধ্যমে কর্মজীবন শুরু করেন। তিনি বিভিন্ন সময়ে জনতা ব্যাংক লিমিটেডের গুরুত্বপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন। বর্তমান পদে পদোন্নতির পূর্বে তিনি জনতা ব্যাংকের মহাব্যবস্থাপক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। -বিজ্ঞপ্তি