২০ অক্টোবর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

বেদে পল্লীতে সৌরবিদ্যুত

তাহমিন হক ববী, নীলফামারী ॥ বেদে সম্প্রদায়ের যাযাবর জীবনের অস্থায়ী বসবাসের খুপড়ি ঘরেও এখন সৌর বিদ্যুতের আলো ছড়িয়ে পড়েছে। ওরা দেশের বিভিন্ন এলাকার পথে পথে ঘুরে সাপ ধরে বিক্রি করা, সাপের খেলা দেখানো, শিঙ্গা লাগানো, তাবিজ-কবচ বিক্রি করে তাদের প্রধান পেশা ধরে রেখেছে। ঢাকার সাভারের অমরপুর, পোড়াবাড়ি, কাঞ্চনপুর ও বক্তারপুর এলাকার বেদেপল্লীর একটি দল এসেছে তিস্তা নদী বিধৌত ডিমলা উপজেলায়। এখানকার দশটি ইউনিয়নে তারা পেশার কাজ চালাতে আস্তানা গেড়েছে খুপড়ি ঘর বানিয়ে। দিন শেষে সন্ধ্যা নামলে তাদের অস্থায়ী খুপড়ি ঘরে জ্বলে উঠছে সৌর বিদ্যুতের আলো। সেই সঙ্গে সৌরবিদ্যুতের খুপড়ি ঘরে চলছে টেলিভিশন, চার্জ হচ্ছে মোবাইল।

বৃহস্পতিবার কথা হয় ডিমলায় আসা বেদে সম্প্রদায়ের সর্দার কাজল মিয়া (৬৫) বললেন সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে তাদের জীবনধারা পরিবর্তন হয়েছে। তিনি বলেন, পেশা হিসেবে বিষধর সাপের খেলা দেখিয়ে ও মেয়েরা শিঙ্গা দিয়ে (পা হতে বিষাক্ত রক্ত রেব করে বাতের ব্যথা কমানোর একটি পদ্ধতি), দাঁতের পোকা বের করা, তাবিজ-কবজ বিক্রি ও জাদু দেখিয়ে সামান্য আয় রোজগার করলেও জীবনকে আলোকিত করতে জীবনে আধুনিকতার ছোয়া লাগাতে নিজেদের অর্থায়নে সৌর প্যানেল ব্যবহার করছে। আমরা এখন দেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশের এক ডিজিটাল যাযাবর সম্প্রদায়ে পরিণত হতে পেরেছি।

তিনি আরও বলেন আগের জীবনে অন্ধকারে ঢেরা (অস্থায়ী খুপড়ি ঘরে) পেতে থাকত হতো। এখন ঢেরায় রাতে নিরাপত্তা ছেলেমেয়েদের লেখাপড়া, মোবাইল ফোন ব্যবহারে চার্জিং সুবিধা, সোলার টিভি, সোলার ফ্যান ব্যবহার করে জীবনকে আধুনিকভাবে উপভোগ করতে পারছি। যাযাবর দলের বিভিন্ন সদস্য হোসেন আলী (৪৪) সাধু মিয়া (৬০) সোহেল (১৮) ছাইদুল (৩২) রজব আলী (১৮) জাহাঙ্গীর (২৮) শরিমিয়া (৪০) শহিদুল্যা (৭৫) বলেন এই ডিজিটাল যুগে তারা আর কষ্টের যাযাবর জীবন যাপন থেকে রক্ষা পেয়েছে।

বেদে কন্যা বৈশাখী আক্তার বলেন, আমার দাদী গ্রামে গ্রামে গাওয়াল করে সিঙ্গা লাগিয়ে, দাঁতের পোকা তুলে, তাবিজ-কবজ বিক্রি করে সংসারের খরচ জোগাড় করতেন। আর আমার বাবা শাহজাহান সাপুড়ে এখনও দেশের বিভিন্ন প্রান্তে সাপের খেলা দেখান। গ্রামে ছোট একটি গালামালের দোকান দিয়েছি। এরপর বাপ দাদার পেশার টানে আমি ডিমলা এসেছি। সঙ্গে মা উকিলা বেগম রয়েছে। তিনি বলেন, জীবনমানের পরিবর্তনে সৌরবিদ্যুত তাদের উপকারে এসেছে।

পায়রা সমুদ্রবন্দর এলাকার জেলেদের মানববন্ধন

পুনর্বাসন ও ক্ষতিপূরণ দাবি

নিজস্ব সংবাদদাতা, কলাপাড়া, ১৮ ফেব্রুয়ারি ॥ পায়রা সমুদ্রবন্দরের লালুয়া ইউনিয়নের ক্ষতিগ্রস্ত শত শত জেলে পরিবারের সদস্যরা পুনর্বাসন ও ক্ষতিপূরণের দাবিতে মানববন্ধন করেছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে লালুয়ার বানাতিবাজারে এ কর্মসূচী পালিত হয়। ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধনে লালুয়া ইউনিয়নের ১০টি গ্রামের শত শত জেলে পরিবারের নারী-পুরুষ অংশ নেয়। পশরবুনিয়া গ্রামের জেলে নুরসায়েদ মুন্সী (৬৫) জানান, আমরা জাটকা শিকার বন্ধের অবরোধ, প্রজনন সময়ের অবরোধের ধকল কাটিয়ে উঠতে পারলেও পায়রা সমুদ্রবন্দরের জন্য রামনাবাদ নদীতে স্থাপন করা বয়ার ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে পারছি না। নদীর মাঝে বয়া স্থাপন করায় এখন আর নদীতে জাল ফেলতে পারছি না। বয়ার গ্যাপে জাল পাতলে সেই জাল স্রোতের কারণে বয়ার সঙ্গে গিয়ে আটকে ছিঁড়ে যায়। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হয় জেলেরা। এখন নদীতে মাছ ধরার কোন উপায় নাই। তারা এখন বেকার হয়ে গেছেন। পুনর্বাসন ও কর্মসংস্থানে দাবিতে তারা মানববন্ধন করছে। লালুয়া ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মীর তারিকুজ্জামান তারা সকল জেলেদের সারা বছর ভিজিএফ চাল প্রদানের পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত জেলেদের বড় ফাঁসের জাল- নৌকাসহ বিভিন্ন উপকরণ দেয়ার দাবি করেন।

প্রফেসর কালাম রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান

স্টাফ রিপোর্টার, রাজশাহী ॥ রাজশাহী মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান পদে অবশেষে নিয়োগ পেলেন একই বোর্ডের সচিব অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদ। শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপনে আবুল কালাম আজাদকে চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়। গত আগস্ট মাস থেকে তিনি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।

বোর্ড সূত্র জানায়, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অদেশটি বুধবার বিকেলে রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডে পৌঁছে।