২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধে কঠোর হচ্ছে সরকার

এম শাহজাহান ॥ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির ঘটনায় মানিলন্ডারিং প্রতিরোধে আরও কঠোর হচ্ছে সরকার। এ ঘটনায় উদ্বিগ্ন অর্থ মন্ত্রণালয়। নতুন নতুন প্রযুক্তির মাধ্যমে মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধ করার জন্য বাংলাদেশ ফিন্যান্সশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (বিএফআইইউ) সক্ষমতা বৃদ্ধি করা হবে। ব্যাংক, বীমা, শেয়ারবাজার ও মানিলন্ডারিং সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধে ২০১৫-২০১৭ সালের জন্য ইতোমধ্যে জাতীয় কৌশলপত্র তৈরি করা হয়েছে। ওই কৌশলপত্র অনুযায়ী অর্থ পাচার প্রতিরোধ ও বিদেশে পাচারকৃত অর্থ দেশে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে এ তথ্য।

জানা গেছে, রিজার্ভ লোপাটের ঘটনায় মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধে নড়েচড়ে বসেছে অর্থ মন্ত্রণালয়। মানিলন্ডারিং সংক্রান্ত যেসব আইন-কানুন রয়েছে তা পরিপালনে এবার আরও কঠোর পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে। বিশেষ করে জাতীয় কৌশলপত্রের পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন সচেষ্ট সরকার।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক উর্ধতন কর্মকর্তা জনকণ্ঠকে বলেন, মুদ্রা পাচার এবং তা ফিরিয়ে আনতে দেশে যথেষ্ট আইন ও কোন সংস্থার কি দায়িত্ব তা নির্ধারণ করে দেয়া আছে। শুধু তাই নয়, অর্থ পাচারের সঙ্গে জড়িতদের কি ধরনের শাস্তি দেয়া হবে তাও আইনে স্পষ্ট করা আছে। কিন্তু আইনের প্রয়োগ সেভাবে হচ্ছে না। আর এ কারণেই আর্থিক খাতে এত বড় জালিয়াতির ঘটনা ঘটে গেল। তিনি বলেন, মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধ ব্যবস্থায় আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জন করেছে বাংলাদেশ। গত দুই বছর আগে এ সংক্রান্ত প্রতিরোধ বিষয়ক আন্তর্জাতিক মানদ- নির্ধারণকারী সংস্থা ফাইন্যান্সিয়াল এ্যাকশন টাস্কফোর্স (এফএটিএফ) বাংলাদেশকে এই স্বীকৃতি দিয়েছে। কিন্তু কেন্দ্রীয় ব্যাংকে যা ঘটল তাতে এই স্বীকৃতি প্রশ্নের মুখে পড়তে পারে। এটি হলে তা মোটেও দেশের জন্য কোন ভাল খবর নয়। আর তাই এ বিষয়ে এখন থেকেই সতর্ক হওয়া প্রয়োজন।