১০ ডিসেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

কম্পিউটার প্রকৌশলী সাজ্জাদকে বাঁচাতে এগিয়ে আসুন

স্টাফ রিপোর্টার ॥ কম্পিউটার প্রকৌশলী সাজ্জাদ হোসাইনের চিকিৎসায় সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিন। ঢাকা-লক্ষ্মীপুর মহাসড়কে তিনি মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনার শিকার হন। তাৎক্ষণিক-ভাবে তাঁকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে এবং পরবর্তীতে এ্যাপোলো হাসপাতালে নেয়া হয়। মাথায় অস্ত্রোপচার করা হলেও সাজ্জাদের জ্ঞান ফেরেনি। এ্যাপোলো হাসপাতালে আইসিইউতে লাইফ সাপোর্টে ১৫ দিন রেখেও তাঁর অবস্থা অপরিবর্তিত থাকে। হাসপাতালের ৮ লাখ টাকা বিল তাঁর পরিবার-পরিজন ও বন্ধু-বান্ধব মিলে পরিশোধ করে। ওই হাসপাতালের চিকিৎসা ব্যয় সামাল দিতে না পেরে সাজ্জাদকে ঢাকার ধানম-ির কিডনি হাসপাতালের আইসিইউতে লাইফ সাপোর্টে ভর্তি করা হয়। সেখান থেকে তাঁকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে স্থানান্তর করা হয়। সাজ্জাদ হোসাইন ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিক থেকে কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগে উত্তীর্ণ হন। তারপর ভারতের মহিশুরে বিশেষ বিষয়ে প্রশিক্ষণ শেষে দেশে এসে একটি সফটওয়্যার প্রকৌশল প্রতিষ্ঠানে চাকরি শুরু করেছিলেন। সাজ্জাদের বড় ভাই মোসাদ্দেক জানান, সাজ্জাদকে এখন রাখা হয়েছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালের কেবিন ব্লকের আইসিইউর ১২নং বেডে। প্রতিদিন চিকিৎসার পেছনে খরচ হচ্ছে গড়ে ২৫ হাজার টাকা। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, সাজ্জাদ এখন কোমায় চলে গেছে। কবে জ্ঞান ফিরবে বলা যাচ্ছে না। তাঁর হার্ট সচল রয়েছে। এখন তাঁর চিকিৎসা চালিয়ে যেতে হবে। কিন্তু সাজ্জাদের মাতা-পিতার পক্ষে এই ব্যয়বহুল চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হচ্ছে না। চিকিৎসার পেছনে সহায়-সম্বল ফুরিয়ে গেছে। এমতাবস্থায়, সাজ্জাদের চিকিৎসার জন্য সকল হৃদয়বান ও দানশীল ব্যক্তির আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেছেন তাঁর অসহায় মাতা-পিতা ও শুভাকাক্সক্ষীরা। চিকিৎসায় সহযোগিতা দিতে সরাসরি যোগাযোগ করুন এই মোবাইল নম্বরে- ০১৬৮৫৩১৯৯৫৯ (বিকাশ)। আর সাহায্য দিন এই সঞ্চয়ী হিসাবে- মোঃ মোসাদ্দেক হোসাইন (সাজ্জাদের বড় ভাই), প্রাইম ব্যাংক লিমিটেড (অনলাইন), হিসাব নং ১০৪২১০১০০৬৩০৪৭।

ঘোষণা : দৈনিক জনকণ্ঠ মানুষ মানুষের জন্য বিভাগে খবর প্রকাশের মাধ্যমে সহৃদয় ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগাযোগ ঘটিয়ে দিয়ে থাকে। সাহায্য সরাসরি সাহায্যপ্রার্থীর ব্যাংক এ্যাকাউন্টে জমা দিতে হবে অথবা সাহায্যপ্রার্থীর দেয়া মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করতে হবে। দৈনিক জনকণ্ঠ এ বিষয়ে কোন দায়ভার গ্রহণ করবে না।