১৮ অক্টোবর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

ময়মনসিংহের রিয়াজ ও ওয়াজউদ্দিনের অভিযোগ আমলে

  • যুদ্ধাপরাধী বিচার;###;পরবর্তী নির্দেশ ১৬ মে

স্টাফ রিপোর্টার ॥ একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলার গ্রেফতারকৃত রিয়াজ উদ্দিন ফকির ও পলাতক ওয়াজউদ্দিনের অভিযোগ আমলে নিয়েছে ট্রাইব্যুনাল। পরবর্তী নির্দেশের জন্য ১৬ মে দিন নির্ধারণ করা হয়েছে। অন্যদিকে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে নোয়াখালী জেলার সুধারামের পাঁচজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ শুনানির জন্য ১২ মে দিন নির্ধারণ করা হয়েছে। চেয়ারম্যান বিচারপতি আনোয়ারুল হকের নেতৃত্বে তিন সদস্যবিশিষ্ট আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ মঙ্গলবার এ আদেশ প্রদান করেন।

রিয়াজ উদ্দিন ফকির ও পলাতক ওয়াজউদ্দিনের অভিযোগ আমলে নিয়েছে ট্রাইব্যুনাল। ট্রাইব্যুনালে এ সময় মামলার প্রসিকিউটর হৃষিকেশ সাহা উপস্থিত ছিলেন। হত্যা, গণহত্যা, আটক, অপহরণ, নির্যাতন ও ধর্ষণের পাঁচটি মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ আনা হয়েছে তাদের বিরুদ্ধে। একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ২২ আগস্ট থেকে ২১ নবেম্বর পর্যন্ত ফুলবাড়িয়া উপজেলার বিভিন্ন স্থানে তারা অপরাধগুলো সংঘটিত করেন বলে তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

জামিন বাতিল ॥ একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে নোয়াখালী জেলার সুধারামের পাঁচ রাজাকারের বিরুদ্ধে অভিযোগের শুনানি ১২ মে অনুষ্ঠিত হবে। অন্যদিকে, গ্রেফতারকৃত আব্দুল কুদ্দুসের জামিন বাতিল করেছে ট্রাইব্যুনাল। চেয়ারম্যান বিচারপতি আনোয়ারুল হকের নেতৃত্বে তিন সদস্যবিশিষ্ট আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ আদেশ প্রদান করেন। ট্রাইব্যুনালে এ সময় প্রসিকিউটর জাহিদ ইমাম উপস্থিত ছিলেন।

পাঁচ রাজাকারের মধ্যে চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তারা হলেনÑ আমীর আহম্মেদ ওরফে আমীর আলী, মোঃ ইউসুফ, মোঃ জয়নাল আবদীন ও মোঃ আব্দুল কুদ্দুস। এদের মধ্যে পলাতক আছেন আবুল কালাম ওরফে একেএম মনসুর। আসামিদের বিরুদ্ধে ’৭১-এর মুক্তিযুদ্ধের সময় নোয়াখালীর সুধারাম থানায় ১১১ জনকে গণহত্যাসহ তিনটি অভিযোগ আনা হয়। জাহিদ ইমাম বলেন, গত বছরের ১৬ নবেম্বর আসামিদের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়ে গত ৩১ আগস্ট শেষ হয়। ওই দিনই তদন্তের চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রসিকিউশনের কাছে জমা দেন তদন্ত কর্মকর্তা।

অভিযোগের মধ্যে রয়েছেÑ একাত্তরের ১৫ জুন নোয়াখালীর সুধারামে ৪১ জনসহ শতাধিক ব্যক্তিকে হত্যা-গণহত্যায় নেতৃত্ব দেন পাঁচ আসামি, একাত্তরের ১৩ সেপ্টেম্বর ভোর সাড়ে পাঁচটা থেকে সকাল সাড়ে সাতটা পর্যন্ত হত্যা-গণহত্যায় নেতৃত্ব দেন আমীর আহম্মেদ ওরফে রাজাকার আমীর আলী, আবুল কালাম ওরফে একেএম মনসুর ও মোঃ জয়নাল আবদিন। একাত্তরের ১৩ সেপ্টেম্বর সকাল সাড়ে ছয়টা থেকে বেলা সাড়ে এগারোটা পর্যন্ত নয়জনকে হত্যা-গণহত্যায় নেতৃত্ব দেন আমীর আহম্মেদ ওরফে রাজাকার আমীর আলী, আবুল কালাম ওরফে একেএম মনসুর ও মোঃ ইউসুফ।