১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

সিন্ডিকেটের মাধ্যমে ভেজাল পণ্য ছড়িয়ে পড়ছে সারাদেশে

  • ভেজালবিরোধী অভিযানে রাজধানীতে সাত প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

গাফফার খান চৌধুরী ॥ ভেজালের ভিড়ে আসল পণ্য চেনা দায়। তাই মানুষ ভেজালটিকেই আসল মনে করছেন। আর আসলকে মনে করছেন ভেজাল পণ্য হিসেবে। ভেজাল পণ্য ব্যবসায়ীদের কি পরিমাণ সিন্ডিকেট রয়েছে তা ধারণারও বাইরে। এসব সিন্ডিকেটের সঙ্গে জড়িত খুচরা ও পাইকারি ব্যবসায়ীরা। এসব ভেজাল পণ্যের মধ্যে শিশু খাদ্যও রয়েছে। নানা চক্রের হাত ঘুরে ভেজাল পণ্য ছড়িয়ে পড়ছে প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলেও। এসব ভেজাল পণ্য মানবদেহে দুরারোগ্য ব্যাধির জন্ম দিচ্ছে।

মঙ্গলবার রাজধানীর আরমানিটোলায় ভেজাল বিরোধী অভিযান চালিয়ে এমন তথ্যই পেয়েছে ৫ আমর্ড পুলিশ ব্যাটালিয়নের ভ্রাম্যমাণ আদালত। অভিযানে ৭টি প্রতিষ্ঠানকে মোট ২ লাখ ৯৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। রাজধানীসহ পুরো ঢাকা জেলাকে ভেজালমুক্ত করার অংশ হিসেবেই অভিযানটি পরিচালিত হয়। দুপুর তিনটার দিকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হাফিজুর রহমান ও ৫-এপিবিএনের জ্যেষ্ঠ সহকারী পুলিশ সুপার আমিরুল ইসলামের নেতৃত্বে অভিযানটি পরিচালিত হয়।

অভিযানকালে পোশাকধারী এপিবিএন সদস্যদের দেখেই অনেক ভেজাল পণ্য ব্যবসায়ী দোকান ফেলেই পালিয়ে যায়। অনেকেই ক্যাশ বাক্সেও তালা দেয়নি। যে যার মতো আত্মগোপনে চলে যায়। কেপি ঘোষ স্ট্রিটের ১০১ নম্বর সাততলা বাড়ির নিচ তলায় অভিযান চলে। অভিযান চলে এইচবি পেপার, লিলি এন্টারপ্রাইজ, নজরুল ট্রেডার্স ও কুমিল্লা পেপারসসহ সাতটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে।

প্রতিষ্ঠান সাতটি থেকে জব্দ করা হয় দেশীয় ও আন্তর্জাতিক নামী দামী কোম্পানির বিভিন্ন পণ্যের লাখ লাখ মোড়ক। পণ্যের মোড়ক দেখে কেউ বলতে পারবে না, এগুলো নকল। এসব মোড়কের মধ্যে বিভিন্ন শিশু খাদ্যও রয়েছে। আটা দিয়ে বানানো হয়েছে চিপস। প্রাণের চানাচুর, হরলিকস, গ্লোকোজ, ক্লোজআপ দাঁত পরিষ্কারের পেস্টসহ অনেক কিছু। এক কথায় বাজারে যা কিনতে পাওয়া যায়, সেসব পণ্যের মোড়ক রয়েছে সেখানে। পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে লিলি পেপারসের মালিকের ভাই আনিসুর রহমানকে আটক করে। তাকে সেখানেই জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।