১৭ নভেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

লৌহজংয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, ভাংচুর ॥ আহত সাত

  • ইউপি নির্বাচনে সহিংসতা

স্টাফ রিপোর্টার, মুন্সীগঞ্জ ॥ লৌহজংয়ে খিদিরপাড়া ইউনিয়নের দুই চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে আহত হয়েছে সাতজন। এ সময় ভাংচুর করা হয়েছে তিনটি মাইক্রোবাস ও দুই মোটরসাইকেল। এছাড়া খিদিরপাড়া ইউপির স্বতন্ত্র প্রার্থীর ওপর আওয়ামী লীগ প্রার্থীর লোকজন হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার সকালে লৌহজং উপজেলা রিটার্নিং অফিসার ও নির্বাচন কর্মকর্তা আলমগীর হোসেনের কাছে খিদিরপাড়া ইউনিয়নের স্বতন্ত্র প্রার্থী শাহ নেওয়াজ মৃধা মনোনায়নপত্র যাচাই-বাছইয়ের খবর জেনে আসার পথে তার প্রতিপক্ষ আওয়ামী লীগ মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী আনোয়ার হোসেন ব্যাপারীর লোকজন হামলা করে। উপজেলা কম্পাউন্ডের মূল ফটক বন্ধ করে এ হামলায় শাহ নেওয়াজের কর্মী টুয়েল শেখ, মোস্তাফা, আমির হোসেন মল্লিক ও কচি তিনজনকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে।

এর পূর্বে একই এলাকার বেজগাঁও ইউনিয়নের স্বতন্ত্র প্রার্থী নজরুল ইসলাম খানের ওপর হামলা চালায় প্রতিপক্ষ আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী আমির হোসেন তালুকদারের সমর্থকরা।

নওগাঁয় সংঘর্ষ

নিজস্ব সংবাদদাতা, নওগাঁ থেকে জানান, সোমবার রাতে পতœীতলায় ইউপি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি সমর্থিত প্রার্থীর প্রচারের সময় সংঘর্ষ হয়েছে। সংঘর্ষে উভয়পক্ষের অন্তত চারজন আহত হয়েছে। ঘোষনগর ইউপির চ-িপুর গ্রামে বিএনপি এবং আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থীর কর্মীরা নির্বাচনী প্রচারের সময় দুই পক্ষ মুখোমুখি হলে সেখানে সংঘর্ষের সূত্রপাত ঘটে। আহতদের পতœীতলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

হাতিয়ায় আহত শতাধিক

নিজস্ব সংবাদদাতা, হাতিয়া, নোয়াখালী থেকে জানান, প্রকাশ্য অস্ত্র প্রদর্শন ও গুলি, প্রার্থীর বাড়িতে অগ্নিসংযোগ, চেয়ারম্যান প্রার্থীর পিতা গুলিবিদ্ধ, দেশীয় অস্ত্রের মহড়া, প্রতিপক্ষের বাড়ি-ঘর লুটের মতো সহিংস ঘটনায় শেষ হয় নোয়াখালী দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন। সন্ত্রাসীদের গুলিতে সহকারী প্রিসাইডিং অফিসার ও পোলিং অফিসারও গুলিবিদ্ধ হয়। এসব ঘটনায় শতাধিক লোক আহত ছাড়াও পক্ষ-বিপক্ষের দায়ের করা ৩১টি মামলায় আসামি করা হয়েছে ১১শ’ লোককে। আহতদের মধ্যে গুলিবিদ্ধ ১০ জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেয়া হয়েছে। পুলিশের অবস্থান দুর্বল থাকায় এসব অপকর্ম করে নির্বাচনের পূর্বে বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আসা ভাড়াটে সন্ত্রাসীরা নিরাপদে পার পেয়ে যায়।

হাতিয়ায় ৭টি ইউনিয়নেই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ হলেও চরকিং ও সোনাদিয়া ইউনিয়নে সবচেয়ে বেশি সংঘর্ষ হয়। নির্বাচনের পূর্বে চরকিং ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী মহিউদ্দিন মুহিনের বাড়িতে অগ্নিসংযোগ, হামলা ও লুটপাট হয়। এ সময় প্রতিপক্ষের গুলিতে মহিউদ্দিন মুহিনের বাবা হোসেন আড়তদারসহ ৫ জন গুলিবিদ্ধ হয়। একই ইউনিয়নের কিল্লার বাজারে প্রতিপক্ষের গুলিতে কিল্লার বাজার ব্যবসায়ী আব্দুল হকসহ ১০ জন গুলিবিদ্ধ হয়। নির্বাচনের দিন বিকেলে চরকিং ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড কলেজ কেন্দ্রে প্রতিপক্ষের গুলিতে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থীর সমর্থক নরুল করিম, আমজাদসহ ১০ জন গুলিবিদ্ধ হয়। এর মধ্যে ২ জনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকায় নেয়া হয়।