১৬ অক্টোবর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

লভ্যাংশ ঘোষণায় কেডিএসের দর বাড়ল ১৬ শতাংশ

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কেডিএস এক্সেসরিজ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১৫ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। এর মধ্যে ৫ শতাংশ নগদ ও ১০ শতাংশ বোনাস শেয়ার। ৩১ ডিসেম্বর ২০১৫ সমাপ্ত হিসাব বছরের আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের বৈঠকে লভ্যাংশের এ সুপারিশ করা হয়। এই লভ্যাংশ ঘোষণাতে কোম্পানির ১৬ শতাংশ দর বেড়েছে।

বুধবারে লভ্যাংশ ঘোষণার দিনে কোম্পানির সর্বোচ্চ ১০ দশমিক ৮০ টাকা বা ১৬ শতাংশ দর বেড়েছে। দিনটিতে কোম্পানির মোট ৩৬ লাখ ১৮ হাজার ১টি শেয়ার হাতবদল হয়েছে। মোট ৬ হাজার ৩৬২ হাওলায় কোম্পানির সর্বোচ্চ ২৬ কোটি ৯০ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছে।

কেডিএস এক্সেসরিজের বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আগামী ২ জুন রাজধানীর বন্দর নগরী চট্টগ্রামে অবস্থিত চিটাগং ক্লাবে সকাল ১০টায় অনুষ্ঠিত হবে। এ জন্য রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ২১ এপ্রিল। ২০১৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ২.৮৬ টাকা (ওয়েটেড) শেয়ারপ্রতি সম্পদ মূল্য ২৩.৮২ টাকা ও শেয়ারপ্রতি নগদ সম্পদ প্রবাহের পরিমাণ হচ্ছে ৩.৪৪ টাকা। আগের বছর কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় হয়েছিল ২.২২ টাকা।

২০১৫ সালে কেডিএস এক্সেসরিজ পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। ফলে কোম্পানি ‘এন’ ক্যাটগরিতে রয়েছে। পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়ার পর প্রথমবারের মতো ১৫ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। কোম্পানির এজিএমে ঘোষিত লভ্যাংশে শেয়ারহোল্ডাররা অনুমোদন প্রদান করলে এবং অনুমোদিত লভ্যাংশ শেয়ারহোল্ডারদের এ্যাকাউন্টে বিতরণ করলে কোম্পানি ‘এন’ ক্যাটাগরি থেকে ‘এ’ ক্যাটাগরিতে উন্নীত হবে।

আইপিওতে ক্ষতিগ্রস্তদের কোটার মেয়াদ বাড়ছে

অর্র্র্র্র্র্র্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ পুঁজিবাজারে ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীদের জন্য প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও) কোটার মেয়াদ বাড়ছে। ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীদের এ কোটার মেয়াদ বাড়ানোর জন্য সম্প্রতি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। সূত্র জানিয়েছে, কমিশনের নেয়া সিদ্ধান্ত মঙ্গলবার অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছে বিএসইসি। মন্ত্রণালয় অনুমোদন দিলে আরও ১ বছর বাড়বে ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীদের আইপিও কোটার মেয়াদ। উল্লেখ্য, আইপিওতে ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীদের জন্য ২০ শতাংশ শেয়ার সংরক্ষিত আছে। ২০১০ সালে সূচিত ধসের পর বিএসইসি যে প্রণোদণা স্কিম ঘোষণা করে তার আওতায় এই কোটা সংরক্ষণ করা হচ্ছে। এই কোটার মেয়াদ চলতি বছরের ৩০ জুন শেষ হয়ে যাওয়ার কথা।