১৩ ডিসেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

বাগেরহাট-শরণখোলা সরাসরি বাস ৬০ দিন বন্ধ

স্টাফ রিপোর্টার, বাগেরহাট ॥ লোকাল বাস মালিক সমিতির স্বেচ্ছাচারিতার কারণে ৬০ দিন ধরে বন্ধ রয়েছে শরণখোলা-বাগেরহাট সরাসরি বাস সার্ভিস। ফলে এই রুটের হাজার হাজার যাত্রী চরম দুর্ভোগের মধ্যে পড়েছেন। জনদুর্ভোগ হ্রাসের জন্য পুনরায় বাস চালু করতে উভয় সমিতির নেতাদের প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিরা অনুরোধ করলেও বিষয়টি আমলে নিচ্ছে না সংশ্লিষ্ট একটি মহল। যে কারণে যাত্রীদের ভোগান্তি ক্রমশ বাড়ছে। সুন্দরবন সংলগ্ন শরণখোলা হতে জেলা শহর বাগেরহাটের দূরত্ব ৬০ কিলোমিটার হওয়ার পাশাপাশি পথিমধ্যে পানগুছি নদী থাকার কারণে জেলা শহরে পৌঁছতে নানা হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে সাধারণ যাত্রীদের। আর এ সুযোগ কাজে লাগিয়ে সাধারণ মানুষকে এক প্রকার জিম্মি করে অতি মুনাফা লুটছে এক শ্রেণীর বাস মালিক। দ্বিগুণ সময় ও বাড়তি ভাড়ার পাশাপাশি জনসাধারণের জেলা শহরে পৌঁছতে সময় লাগছে আগের তুলনায় দ্বিগুণ। বাধ্য হয়ে যাত্রীরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে লোকাল বাসের ছাদে ঝুলে জেলা সদরে যাতায়াত করছেন। শরণখোলা-মোরেলগঞ্জ ও বাগেরহাট বাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আবু বক্কর ও হারুন অর রশিদ জানান, তারা বন্ধ থাকা ওই সার্ভিসটি পুনরায় চালুর উদ্যোগ গ্রহণ করছেন।

নরসিংদীতে স্কুলে হামলা ॥ ইউপি চেয়ারম্যান শ্রীঘরে

নিজস্ব সংবাদদাতা, নরসিংদী, ৩০ মার্চ ॥ রায়পুরা উপজেলার চরসুবুদ্ধি ইউপি চেয়ারম্যান হাজি মোমেন স্কুলে বন্দুক হামলা চালিয়ে দশজনকে আহত করে এখন শ্রীঘরে। সম্প্রতি এই চেয়ারম্যান সদলবলে উপজেলার আবদুল্লাহপুর স্কুলে ডুকে গুলি চালায় এবং ভাংচুর করে। পুলিশ অস্ত্রসহ তাকে গ্রেফতার করে জেল হাজতে পাঠিয়েছে। জানা গেছে হাজি মোমেন রায়পুরা উপজেলার আবদুল্লাহপুর উচ্চ বিদ্যালয় পরিচালানা পরিষদের সাবেক সভাপতি। গত ১৯ মার্চ বিদ্যালয়ে গিয়ে তিনি প্রধান শিক্ষকের কাছে তার নির্বাচনী প্রচারে স্কুলের শিক্ষার্থীদের ব্যবহার করতে দেয়ার দাবি জানান।

প্রধান শিক্ষক এতে রাজি না হলে মোমেন ক্ষীপ্ত হন। কথা কাটকাটির এক পর্যায়ে তিনি ফোন করে কয়েক সন্ত্রাসীকে বিদ্যালয়ে নিয়ে আসেন এবং এলোপাতারি হামলা চালায়। এক পর্যায়ে মোমেন নিজে তার হাতে থাকা শটগান দিয়ে গুলি চালায়। এতে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সদস্য ও ইউপি মেম্বার নাজিম উদ্দিনসহ ১০ শিক্ষার্থী আহত হয়। বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা জানায়, স্থানীয় প্রশাসনের অনুমতি সাপেক্ষে বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদ হাজি মোমেনকে সভাপতির পদ থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়। এতে তিনি ক্ষীপ্ত হন। এরপরই বিদ্যালয়ে গিয়ে তিনি এই নগ্ন হামলা চালান।