১৭ ডিসেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

মৌসুমীর বছর শুরু!

বলা যায় আগামীকাল থেকেই মৌসুমীর বছর শুরু হচ্ছে। কারণ, এ বছর এখনও ছবি মুক্তির খাতা খোলেনি তার। আগামীকালই প্রথম। ‘মন জানে না মনের ঠিকানা’ ছবিতে মৌসুমী আছেন আইনজীবির চরিত্রে। লিখেছেন নির্ঝর

‘বাংলা চলচ্চিত্রের শেষ সুপারস্টার’, এভাবেও লোকে বলে। এইতো সেদিন মৌসুমীর প্রসঙ্গ এলে, যারা এমনটা বলল, এবং আরও যারা ঘাড় নাড়িয়ে সম্মতি দিল, এখন তারা উধাও ঠিক কিন্তু সিনেমা হল পর্যন্ত তারা যাবেই। মৌসুমীর ভক্তকূলের আলাদা বৈশিষ্ট্য আছে, যেমনটা নায়িকার নিজেরও। সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে প্রায় প্রতিটি তারকার ভক্তদের আলাদা গ্রুপ এটা সেটা আছে। তারা একসঙ্গে আড্ডা দেয়, ঘোরে, খায়দায়; এমনকি মারামারিও করে। নায়িকার প্রসঙ্গে জোট বেঁধে তর্ক করে। মৌসুমীর ভক্তদের ক্ষেত্রে এমনটি দেখা যায় না কখনও।

তারা নিরব-নিশ্চুপ। চুপিচুপি মৌসুমীর প্রত্যেকটি কাজে নিরবেই সমর্থন জুগিয়ে যান। কেবল নায়িকাই জানেন ভক্তরা আছেন। সংকটে ঠিকই দেখা দেবেন। পাশে এসে দাঁড়াবেন। জেনে উৎসাহ পান। এভাবেই বাংলা চলচ্চিত্রের এতগুলো বছর কাটিয়ে দিচ্ছেন মৌসুমী।

বাংলা সিনেমার শেষ সুপারস্টার তাকে যে বলে লোকে, কথাটিকে একেবারেই তুড়ি মেরে উড়িয়ে দেয়া যায় না কিন্তু। তার জন্য মানুষের যে উন্মাদনা, যে উত্তেজনা-উচ্ছ্বাস, সেটা পরবর্তীতে কারও ক্ষেত্রে দেখা যায়নি। নায়িকার নামে হৈ হৈ করে ছবি চলে, এ উদাহরণও তার পরে আর কেউ তৈরি করতে পারেননি। শুধু জনপ্রিয়তা না, এতবছর ধরে বয়স বিশের কোঠায় আটকে রাখাও তো কম নায়িকাসুলভ ব্যাপার নয়! বহু বছর ধরে, এখনও, মৌসুমীর কোন বদল নেই। তিনি আছেন একই রকম।

নায়িকা এখন অভিনয় করেন খুব কম। ছবি হাতে নেন হিসেব করে। এই যেমন এ বছর এখনও ছবি মুক্তির খাতাই খোলেননি! সে হিসেবে আগামীকাল যে ছবিটি মুক্তি পাচ্ছে ‘মন জানে না মনের ঠিকানা’ দিয়েই বছর শুরু হচ্ছে মৌসুমীর। মুশফিকুর রহমান গুলজারের ছবি। মৌসুমীর ভাষায়, এ ছবিটি করার পেছনে প্রধান কারণ, গল্প। চরিত্রও। আইনজীবি তিনি। আইনের বুলি আউড়ে সংগ্রাম করে নায়িকাকে নির্দোষ প্রমাণ করবেন। দর্শকদের আগ্রহ আছে, মৌসুমী আইনজীবি হয়ে কেমন লড়তে পারেন, কতখানি দম নিয়ে, সেটা দেখার। রাজ্জাক থাকবেন বিচারকের আসনে। মৌসুমীকে নিয়ে আলোচনা চলছে ‘রাত্রির যাত্রী’কেন্দ্রীকও। এ ছবিটিও মুক্তি পাবে এ বছরই।