২২ অক্টোবর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

৩ এপ্রিল এইচএসসি পরীক্ষা শুরু ॥ গত বছরের চেয়ে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা বেড়েছে লাখের উপরে

৩ এপ্রিল এইচএসসি পরীক্ষা শুরু ॥ গত বছরের চেয়ে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা বেড়েছে লাখের উপরে

স্টাফ রিপোর্টার ॥ আগামী ৩ এপ্রিল রবিবার শুরু হচ্ছে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা।

দেশের মোট ১০টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। কয়েক বছর ধরে ১লা এপ্রিল থেকে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হলেও এবার ৩রা এপ্রিল থেকে এ পরীক্ষা শুরু হচ্ছে। যা ৯ই জুন পর্যন্ত তত্ত্বীয় পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

এ বছর ১২ লাখ ১৮ হাজার ৬২৮ জন পরীক্ষার্থী এতে অংশ নিচ্ছে। গত বছরের তুলনায় এবার পরীক্ষার্থীর সংখ্যা বেড়েছে এক লাখ ৪৪ হাজার ৭৪৪। পরীক্ষা উপলক্ষে বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ এ তথ্য জানান।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এবার আটটি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা ও কারিগরি বোর্ডের অধীনে ১২ লাখ ১৮ হাজার ৬২৮ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেবে। এর মধ্যে আটটি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এইচএসসিতে ১০ লাখ ২০ হাজার ১০৯ জন, মাদ্রাসা বোর্ডের অধীনে আলিমে ৯১ হাজার ৫৯১ জন, কারিগরি বোর্ডের অধীনে এক লাখ ২ হাজার ১৩২ জন ও ডিআইবিএসে (ডিপ্লোমা ইন বিজনেস স্টাডিজ) ৪ হাজার ৭৯৬ জন শিক্ষার্থী অংশ নিচ্ছেন।

শিক্ষামন্ত্রী আরও জানান, মোট অংশ নেওয়া পরীক্ষার্থীর মধ্যে ছাত্র ৬ লাখ ৫৪ হাজার ১১৪ জন ও ছাত্রী ৫ লাখ ৬৪ হাজার ৫১৪ জন। গত বছর মোট পরীক্ষার্থী ছিলো ১০ লাখ ৭৩ হাজার ৮৮৪ জন।

নকলমুক্ত ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে পরীক্ষা নিতে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘এবার থেকে এ পরীক্ষায় প্রথমে বহুনির্বাচনী (এমসিকিউ) পরে রচনামূলক (তত্ত্বীয়) পরীক্ষা হবে। উভয় পরীক্ষার মধ্যে ১০ মিনিটের বিরতি থাকবে।’ বহারিক পরীক্ষা ১১ জুন শুরু হয়ে শেষ হবে ২০ জুন। এবার ৮ হাজার ৫৩৩টি প্রতিষ্ঠানের পরীক্ষা ২ হাজার ৪৫২টি কেন্দ্রের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হবে। বিদেশে সাতটি কেন্দ্রে ২৬২ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিচ্ছেন বলেও সংবাদ সম্মেলনে তথ্য দেন মন্ত্রী।

এ বছর মোট ১৯টি বিষয়ের ৩৬টি পত্রে সৃজনশীল পদ্ধতিতে পরীক্ষা হবে জানিয়ে নাহিদ বলেন, ‘২০১২ সালে শুধু বাংলা প্রথম পত্রের সৃজনশীল পদ্ধতিতে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছিল। গত বছর ১৩টি বিষয়ের ২৫টি পত্রে সৃজনশীল পদ্ধতিতে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এ বছর নতুন ছয়টি বিষয়ের ১১টি পত্রে সৃজনশীল পদ্ধতিতে পরীক্ষা হবে।’

তিনি বলেন, ‘দৃষ্টি প্রতিবন্ধী, সেরিব্রাল পলসি জনিত প্রতিবন্ধী ও যাদের হাত নেই এমন প্রতিবন্ধী পরীক্ষার্থী শ্রুতিলেখক নিয়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবে। এ ধরণের পরীক্ষার্থী ও শ্রবণ প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য অতিরিক্ত ২০ মিনিট সময় বরাদ্দ থাকবে।’

সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষা সচিব মোঃ সোহরাব হোসাইন, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ফাহিমা খাতুন, ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান আবু বক্কর ছিদ্দিকসহ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।