১৬ অক্টোবর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

ভোলায় সাংবাদিক গুলিবিদ্ধ ॥ বিচ্ছিন্ন হামলা

নিজস্ব সংবাদদাতা, ভোলা ॥ দ্বিতীয় ধাপের ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে ভোলা সদর, লালমোহন, চরফ্যাসন ও মনপুরাসহ মোট ৪টি উপজেলার ১২টি ইউনিয়নে বিচ্ছিন্ন হামলা সহিংস ঘটনা, সংর্ঘষ, ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। ভোলা সদর উপজেলার রাজাপুর ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডের রাজাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে বৃহস্পতিবার বেলা ১২ টার দিকে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে সাংবাদিকরা অবস্থান করার সময় হঠাৎ পুলিশের গুলিতে এনটিভির ভোলার স্টাফ করসপন্ডেন্ট আফজাল হোসেন গুলিবিদ্ধ হয়। এছাড়া বিভিন্ন কেন্দ্রে সংর্ঘষ হামলার ঘটনায় গুলি বিদ্ধসহ অর্ধশতাধিক আহত হয়েছে। গুরুতর আহতদেরকে ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রাজাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যায়ল কেন্দ্রে পেশাগত দায়িত্বপালন কালে সাংবাদিকরা পুলিশের সাথে অবস্থান করছিলো। এ সময় দাড়িয়ে থাকা হঠাৎ পুলিশের কনষ্টবল জুলহাসের সটগান থেকে গুলি বের হয় এবং তা সাংবাদিক আফজালের বাম পায়ে বিদ্ধ হয়। গুলি বিদ্ধ হওয়ার পর পরই সাংবাদিক আফজাল মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। তাকে সহকর্মীরা গুরুতর অবস্থায় উদ্ধার করে ভোলা সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। বর্তমানে তিনি ভোলা হাসপাতালে চিকিৎসাধিন রয়েছে। যে পুলিশের কনষ্টবল জুলহাস বলেন, মিস ফায়ারিং হয়ে এ ঘটনা ঘটেছে।

অপর দিকে ভোলা সদর উপজেলার রাজাপুর ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ডের চর সীতারাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের বাইরে আওয়ামী লীগের প্রার্থী মিজানুর রহমান খান এবং আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী রেজাউল হক মিঠু চৌধুরীর কর্মী সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ, বোমাবাজির ঘটনা ঘটে। এ সময় মেম্বার প্রার্থী সালাম ও ওহাবের সমর্থকরাও সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। ভোলা থানার ওসি খায়রুল কবির জানান, তাদের গাড়ি লক্ষ করে বিক্ষুব্দ লোকজন ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। এতে তাদের গাড়ি কিছু অংশ ক্ষতি হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে বেশ কয়েক রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছুড়ে। ভোলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান জানান, পুলিশের গুলিতে সাংবাদিক আহত হওয়ার ঘটনা তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা নেয়া হবে।