১০ ডিসেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

চাঁপাইয়ে নদী খাল ভূমিদস্যুর দখলে

স্টাফ রিপোর্টার, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ॥ উজানে পানি প্রত্যাহার, ভূর্গস্থ পানি নিচে নেমে যাওয়ায়, প্রচ- খরা আর পলি পড়ার কারণে চাঁপাইনবাবগঞ্জ অঞ্চলে প্রতি বছর নদী, খাল, বিল, ঝিলে বোরো আবাদ সম্প্রসারিত হলেও তলদেশের এসব জমি চলে যাচ্ছে ভূমিদস্যুদের দখলে।

যদিও নদী, খাল, বিল খাস খতিয়ানে ভুক্ত থাকার কথা কিন্তু ভূমি রাজস্ব বিভাগের একশ্রেণীর অসাধু কর্মচারীর কারণে বেদখল হয়ে যাচ্ছে। এ বছরও চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভাসংলগ্ন শহীদ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দীন জাহাঙ্গীর বীরশ্রেষ্ঠ সেতুর নিচ থেকে শুরু করে উজান ও ভাটির প্রায় সাড়ে চার হাজার হেক্টর জমিতে এবার বোরো আবাদ হলেও এসব জমির মালিকানা ভূমিদস্যুদের নিয়ন্ত্রণে। তারাই মধ্যস্বত্বভোগী হয়ে লিজ দিয়ে কিংবা নিজস্ব লোকের মাধ্যমে চাষাবাদ করে ফসল ঘরে তুলছে।

সরকার ইচ্ছে করলে বালু মহলের মতো বাৎসরিক লিজ দিয়ে রাজস্ব জমা করতে পারে। সব মিলিয়ে এবার চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর, শিবগঞ্জ, ভোলাহাট ও গোমস্তাপুর উপজেলার শুকিয়ে যাওয়া নদী ও খাল বিলে বোরো আবাদ সম্প্রসারিত জমির পরিমাণ প্রায় সাড়ে সতেরো হাজার হেক্টর। যার পুরোটাই ব্যক্তি অধিকারে চাষাবাদ হলেও তাদের জমি মালিকানার কোন বৈধ কাগজপত্র নেই।

জেলা ভূমি রাজস্ব বিভাগের একাধিক কর্মকর্তার সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে গেলে তাচ্ছিল্য ভরে বলার চেষ্টা করেছে এসব পাগলের প্রলাপ ছাড়া কিছুই নয়। কারণ পানির নিচের এসব জমির কোন হিসাবপত্র তাদের কাছে নেই।

তালতলীতে নিখোঁজ মহিলা জেলের সন্ধান মেলেনি

নিজস্ব সংবাদদাতা, আমতলী (বরগুনা), ৩১ মার্চ ॥ তালতলী উপজেলার তেঁতুলবাড়িয়া এলাকা-সংলগ্ন পায়রা নদীতে নিষিদ্ধ জাল দিয়ে চিংড়ি রেণু পোনা জব্দ করতে গিয়ে কোস্টগার্ড সদস্যরা কয়েক নারী জেলেকে বেধড়ক পিটিয়ে গুরুতর আহত করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। বুধবার সকালে এ ঘটনা ঘটে।

জোবায়দা বেগম ও কদভানু বেগম নামের আহত দুই নারীকে প্রথমে তালতলী পরে বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অপরদিকে নারী জেলে আসমা নিখোঁজের দু’দিন পরও তার কোন খোঁজ পাওয়া যায়নি বলে পরিবার দাবি করেছে। প্রত্যক্ষদর্শী জেলেরা অভিযোগ করেন, বুধবার বেলা ১১টার দিকে তালতলী উপজেলার নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নের তেঁতুলবাড়িয়া গ্রামের জেলেরা পায়রা নদীতে নিষিদ্ধ নেট জাল দিয়ে চিংড়ি রেণু পোনা ধরছিল। এ সময় কোস্টগার্ডের সখিনা ক্যাম্পের ৭-৮ জন সদস্য একটি ট্রলারে আসে এবং জাল জব্দ করে ট্রলারে তুলে নেয়। এ সময় মহিলা জেলে জোবায়দা বেগম, কদভানু ও আসমা তাতে বাঁধা দেয়। এতে কোস্টগার্ড সদস্যরা আসমা, জোবায়দা ও কদভানুকে লাঠি দিয়ে বেধড়ক পিটিয়ে আহত করে। পরে আসমা ও জোবায়দাকে ট্রলারে তুলে নিয়ে যায়। দুপুর ১২টার দিকে জোবায়দাকে তেঁতুলবাড়িয়া ভাঙ্গন এলাকার বালুচর থেকে গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয় জেলেরা উদ্ধার করে। অপর নারী জেলে আসমাকে দু’দিনেও খোঁজ পাচ্ছে না বলে পরিবার দাবি করেছে।

স্থানীয় চৌকিদার সেলিম মিয়া জানান আসমাকে বিভিন্ন স্থানে খোঁজা হচ্ছে বৃহস্পতিবার দুপুর পর্যন্ত কোন খোঁজ মেলেনি। কোস্টগার্ডের সখিনা ক্যাম্পের দায়িত্বপ্রাপ্ত কমান্ডার মোঃ শামীম বলেন, কোন নারীকে ট্রলারে তুলে নেয়ার প্রশ্নই আসে না।