১৭ নভেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

ভোলায় নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় আহত ৩০

নিজস্ব সংবাদদাতা, ভোলা ॥ ভোলা সদর ও মনপুরা উপজেলায় মেম্বার প্রার্থীদের সমর্থকদের মধ্যে নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতা হামলা ভাংচুর সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছে। এদের মধ্যে গুরুতদের মনপুরা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে, শুক্রবার দুপুরে মনপুরার দক্ষিন সাকুচিয়া ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডে বিজয়ী মেম্বার এনায়েত কবির ও পরাজিত মেম্বার প্রার্থী মোঃ শহীদের কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এসময় অন্তত ৩০ জন আহত হয়। আহতদের মধ্যে যাদের নাম পাওয়া গেছে তারা হচ্ছে, মোঃ শহীদ, ইসমাইল, শাহীন, রফিক,আঃ রহিম, ইব্রাহিম, ইলিয়াছ, সিরাজ, আক্তার হোসেন, গিয়াস উদ্দিন, মোঃ সেলিম, আবুল কাশেম, নুর ইসলাম, মোঃ ফারুক, ফরহাদ, সফি আলম।

এদের মধ্যে গুরুতর ১৭জন কে মনপুরা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বিজয়ী মেম্বার ডাঃ এনায়েত কবির জানান, পরাজিত মেম্বার মোঃ শহীদের বাড়িতে দেখা করতে গেলে তারা আমাদের উপর হামলা করে। অপরদিকে পরাজিত মেম্বার মোঃ শহীদ জানান, তারা দলবল নিয়ে আমাদের উপর হামলা করে। তারা দুইজন সর্ম্পকে স্যালক ও দুলাভাই। এছাড়াও পৃথক ঘটনায় দক্ষিণ সাকুচিয়া ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ডে শুক্রবার রাতে সহিংসতায় আরশাদ আলী ও খোকন নামের দুই ব্যক্তি আহত হয়ে উপজেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। মনপুরা থানার ওসি শাহীন খান সাংবাদিকদের জানান, ঘটনাশুনে তাৎক্ষনিক ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করেন। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

অপর দিকে ভোলা সদর উপজেলার ইলিশা ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ডে বিজয়ী মেম্বার প্রার্থী আবদুল বারেকের কর্মীরা মিছিল নিয়ে শুক্রবার বেলা ১১ টার দিকে পরাজিত মেম্বার প্রার্থী বশিরের কর্মী সমর্থক কাঞ্চন মিঝির বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাংচুর করে। এর আগে বশিরের কর্মী কামাল কে ইসমাইল ওমাকসুদ মারধর করে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। তবে মাকসুদ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন,তাকে বশিরের কর্মী আলমগীর মারধর করে বলে দাবী করেন। এ নিয়ে ওই এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনা স্থল পরির্দশন করেন। এ ছাড়া একই ওয়ার্ডের পূর্ব চর ইলিশা গ্রামে আম্বিয়া খাতুনের পুকুরে বিশ দিয়ে প্রায় ৫০ হাজার টাকার মাছ মেরে ফেলা হয়েছে। ধারনা করা হচ্ছে নির্বাচন কে কেন্দ্র করে কেউ তাদের মাছ মেরে ফেলেছে।