১৭ নভেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

ইউরোপীয় বিমান বন্দরগুলোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা শিথিল

  • ‘মানসম্মত কর্মপদ্ধতির অভাব দায়ী

ব্রাসেলস বিমানবন্দরে সংঘটিত আত্মঘাতী হামলার পর ইউরোপের বিমান বন্দরগুলোতে কর্মী নিয়োগ, নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং কর্মপদ্ধতিতে মানের অভাব নিয়ে সমালোচনা আরও তীব্র রূপ নিয়েছে। গত সপ্তাহের বোমা হামলা ঠেকানো যেতে পারত কিনা, তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠার পর এ অবস্থার সৃষ্টি হলো। খবর নিউইয়র্ক টাইমসের।

বেলজিয়াম পুলিশের সবচেয়ে বড় ইউনিয়নের প্রধান বৃহস্পতিবার ব্রাসেলস বিমানবন্দরের এক গুরুতর নিরাপত্তা সমস্যা নিয়ে সতর্কবাণী উচ্চারণ করেছেন। তিনি নিরাপত্তাগত দোষত্রুটি, আমলাদের অযোগ্যতা ও অতীতে অপরাধ করেছিল এমন ব্যক্তিদের ব্যাগেজ কর্মী নিয়োগ করার কথা উল্লেখ করেন। একই সময়ে ব্রাসেলস বিমানবন্দর পুলিশ বিমানবন্দরের নিরাপত্তা ব্যবস্থার মান নিয়ে গভীর উদ্বেগ ব্যক্ত করে এক খোলা চিঠি লিখেছেন। এতে নবেম্বরে প্যারিসে ও এর আশপাশে ভয়াবহ হামলার পর প্যারিসের শার্ল দ্য গল বিমানবন্দরে কর্মপদ্ধতি, লোক নিয়োগ ও সন্ত্রাসীদের অনুপ্রবেশ করার সম্ভাবনা নিয়ে ব্যক্ত উদ্বেগেরই প্রতিধ্বনি করা হয়। ২০০১ সাল থেকে ইউরোপীয় ইউনিয়ন যে কোন বিমানবন্দরের সিকিউরিটি চেকপয়েন্টের বাইরের এলাকাগুলোর নিরাপত্তার জন্য একইরূপ নিয়মপদ্ধতি গ্রহণ করেছে। কিন্তু জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত এলাকাগুলোর রক্ষার পদ্ধতি জাতীয় পর্যায়ে স্থির করা হয় এবং সেহেতু তা সপক্ষ রাষ্ট্রগুলোতে ভিন্ন ভিন্ন হয়।

বেলজিয়াম পুলিশের সবচেয়ে বড় ইউনিয়ন এসএল এফপি পুলিশের প্রেসিডেন্ট ভিনসেন্ট জিল এক টেলিফোন সাক্ষাতকারে বলেন, কোন কোন ব্যাগেজ কর্মী প্যারিস হামলায় উল্লাস প্রকাশ করেছিল বলে সহকর্মীদের মুখ থেকে শোনার পর তিনি অস্বস্তি বোধ করেছিলেন। এ হামলায় ১৩০ ব্যক্তি নিহত হয়।

জিল বলেন, আমি পুলিশ সহকর্মীদের কাছ থেকে এটিই শুনেছি। স্পষ্টত যে কারও বিজ্ঞতার পরিচয় দেয়া উচিত এবং আমরা এর সত্যতা খতিয়ে দেখছি।

তিনি বলেন, অতীতে অপরাধ করেছিল এমন লোকেরা উল্লেখযোগ্য ও উদ্বেগজনক সংখ্যায় ব্রাসেলস বিমানবন্দরে ব্যাগেজ ওঠা-নামানোর কাজে এবং টারমাকে কর্মরত রয়েছে। কিন্তু তিনি এ সম্পর্কে কোন সংখ্যা জানাননি।