১৮ অক্টোবর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

দুঃখ প্রকাশ করলেন উপ-হাইকমিশনার

স্পোর্টস রিপোর্টার, মুম্বাই থেকে ॥ মুম্বাইয়ের কাফ প্যারেড রোডের বাংলাদেশ হাইকমিশনের ভেতরে ঢোকার আগেই মনটা জুড়িয়ে গেল। বাংলাদেশের ‘লাল-সবুজ’ পতাকা যে দেখা গেল। শান্তির পরশও যেন মিলল। হাইকমিশনের ভেতরে ঢুকতেই দেখা মিলল একটি ঘর। যেখানে জাতির পিতা শেখ মুজিবুর রহমান, রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ ও বঙ্গবন্ধু কন্যা বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি দেয়ালে টাঙানো। শেখ হাসিনার ছবির সামনেই রাখা আছে বাংলাদেশের পতাকাও। সেই ২৪ দিন ধরে ভারতে। খেলা কাভার করতে কলকাতায়, ব্যাঙ্গালুরুতে, আবার কলকাতায় থাকা হয়েছে। মুম্বাইয়েও কাটানো হয়েছে দুইদিন। কিন্তু কোথাও কোন বাড়িতে দেখা মিলেনি বাংলাদেশের পতাকা। অবশেষে নিজ দেশের পতাকার দেখা মিলল। তাতে করে আনন্দের যেন সীমা থাকল না! মনটা ভরে গেল! এ সুযোগটি হয়েছে আসলে মুম্বাইয়ে বাংলাদেশের যে হাইকমিশনে এসে, সেখানে আছেন যে উপ-হাইকমিশনার সামিনা নাজের জন্য। মুম্বাইয়ে হোটেল খুঁজতে গিয়ে যে ১০ বাংলাদেশী সাংবাদিকরা যে হোটেল খোঁজা নিয়ে ভোগান্তিতে পড়েছেন, হোটেল না পেয়ে অস্বস্তিতে ছিলেন; বাংলাদেশী পাসপোর্ট বলে হোটেল পাচ্ছিলেন না, তাতে অপমানিতবোধ করেছেন; এজন্য দুঃখও প্রকাশ করেছেন সামিনা।

বলেছেন, ‘আসলে কী বলব। আমি ঘটনা জেনেছি। খুবই খারাপ লেগেছে। নিজের কাছেই অপমানিত বোধ হয়েছে। সেখানে আপনারা তো আরও কষ্টে ছিলেন। আসলে দুঃখ প্রকাশ করার ভাষা নেই। তবুও দুঃখ প্রকাশ করছি।’ মঙ্গলবার ১০ সাংবাদিক কলকাতা থেকে মুম্বাই আসে। এরপর এক এক করে ১৯ হোটেল খোঁজা হয়। কোথাও বাংলাদেশী সাংবাদিকদের রাখতে চায় না হোটেল কর্তৃপক্ষ। প্রথমে হোটেলে গেলে বলা হয়, ‘রুম আছে।’ রুম দেখানোও হয়।

এরপর ভাড়াও বলা হয়। সিদ্ধান্তও নেয়া হয় হোটেলে থাকার। কিন্তু যেই শুনে বাংলাদেশী পাসপোর্টধারী, সঙ্গে সঙ্গে ‘রুম নেই’ বলে দেয় হোটেল কর্তৃপক্ষ। আইসিসির এ্যাক্রেডিটেড সাংবাদিক সবাই। আইসিসির টুর্নামেন্ট টি২০ বিশ্বকাপ কাভার করতে আসা হয়েছে ভারতে। অথচ কলকাতা, ব্যাঙ্গালুরুতে কী সুখের অভিজ্ঞতা; আর মুম্বাইয়ে কী দুঃখের অভিজ্ঞতা হয় সবার। কোনভাবেই বাংলাদেশীদের মুম্বাইয়ের হোটেলগুলোতে রাখতে চায় না। অবশেষে হোটেল মিলে। দীর্ঘ জার্নি শেষে ক্লান্ত সাংবাদিকরা অবশেষে ঠাঁই পায়।