১৬ অক্টোবর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

প্রধানমন্ত্রীর রূপকল্প বাস্তবায়নের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় চট্টগ্রামের উন্নয়ন জরুরী ॥ চসিক মেয়র

স্টাফ রিপোর্টার, চট্টগ্রাম অফিস ॥ অর্থনৈতিকভাবে বাংলাদেশের যে সক্ষমতা তৈরি হয়েছে তা চট্টগ্রাম বন্দরেরই অবদান। শুক্রবার সকালে নগরীর থিয়েটার ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে ‘উন্নয়নের মহাসড়কে বাংলাদেশ: প্রেক্ষিত চট্টগ্রাম’ শীর্ষক এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন।

মেয়র বলেন, চট্টগ্রামকে শুধুমাত্র একটা জেলা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। সুযোগ নেই সংকীর্ণভাবে দেখারও। কারণ অর্থনৈতিকভাবে বাংলাদেশ যে সক্ষমতা দেখিয়েছে তা চট্টগ্রাম বন্দরেরই অবদান। চট্টগ্রামের উন্নয়ন না হলে প্রধানমন্ত্রী যে রূপকল্প হাতে নিয়েছেন তা বাস্তবায়ন চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে।

মেয়র বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষণা দিয়েছিলেন চট্টগ্রামের উন্নয়নের দায়িত্ব তিনি নিয়েছেন। তিনি তার কথা রেখে চলেছেন। মীরসরাইয়ে ইকোনমিক জোন স্থাপনের পাশাপাশি কর্ণফুলী টানেলের কাজও শুরু হচ্ছে খুব শীঘ্রই।

নগরভবন নির্মাণকেন্দ্রিক লোনের বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের অনুমতি পেতে আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কথা উল্লেখ করে মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন বলেন, আমি কোন আমলাকেই পজিটিভ দেখিনি। ছোটকালে পড়েছিলাম আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কথা। এখন বিষয়টি টের পাচ্ছি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নির্দেশ দিয়ে যাচ্ছেন, কিন্তু আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে কাজগুলো দ্রুত করা হচ্ছে না।

সেমিনারে মুখ্য আলোচক ছিলেন সুচিন্তা ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ও সুচিন্তা বাংলাদেশের আহ্বায়ক অধ্যাপক মোহাম্মদ এ আরাফাত। বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস ফোরাম চট্টগ্রামের চেয়ারম্যান এস অধ্যাপক মোহাম্মদ এ আরাফাত বলেন, আঞ্চলিকতার দৃষ্টিকোণ থেকে চট্টগ্রামকে দেখার কোন সুযোগ নেই। চট্টগ্রামের উন্নয়ন মানে পুরো দেশের উন্নয়ন। চট্টগ্রাম বন্দরের উন্নয়ন করতে হবে। চট্টগ্রামকে কোনভাবেই আলাদাভাবে রাখার সুযোগ নেই। দেশের উন্নয়নের পাশাপাশি আমাদের চিন্তার উন্নয়ন ঘটাতে হবে। তিনি আরও বলেন, আপনারা সবাই ‘স্বার্থপর’ হয়ে যান। নিজের জন্য যা মঙ্গল তা করেন। আপনারা স্বার্থপর হতে পারেন, তবে তা নৈতিকতার মধ্যে থাকতে হবে। আপনারা ব্যক্তিগতভাবে উন্নয়ন করলেই তো দেশ এগিয়ে যাবে। আপনার স্বার্থেই সঠিক সিদ্ধান্ত নিন, এমন নেতৃত্ব চাইবেন না যারা বাংলাদেশকে পিছিয়ে নিয়ে যাবে।

সুচিন্তা বাংলাদেশ, চট্টগ্রাম বিভাগের সমন্বয়ক ড. মোঃ আশরাফুল ইসলাম সজিবের সভাপতিত্বে ও সদস্য জিন্নাত সোহানা চৌধুরীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় দলের সাবেক ক্রিকেটার ও বিসিবির বর্তমান পরিচালক আকরাম খান, রোটারি চট্টগ্রামের প্রেসিডেন্ট স্থপতি আশিক ইমরান। এছাড়া অন্যদের মধ্যে ছিলেন সুচিন্তা বাংলাদেশ, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য এমদাদুল হক সুজন, চট্টগ্রাম বিভাগের যুগ্ম সমন্বয়ক আবুল হাসনাত বেলাল, সদস্য দেবাশীষ পাল দেবু, আবু হাসনাত চৌধুরী প্রমুখ।