২০ অক্টোবর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

ঢাকায় আইনজীবী নিখোঁজ, কোহিনূর কোম্পানির বিরুদ্ধে জিডি

কোর্ট রিপোর্টার ॥ ঢাকা আইনজীবী সমিতির সদস্য এ্যাডভোকেট পলাশ কুমার রায় ৩০ মার্চ থেকে নিখোঁজ রয়েছেন। ওই আইনজীবীর মায়ের অভিযোগ, কোহিনূূূর কেমিক্যাল কোম্পানির এমডির লোকজন তাকে অপহরণ করে থাকতে পারেন। বৃৃহস্পতিবার নিখোঁজ ওই আইনজীবীর মা আটোয়ারী উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মীরা রানী রায় ঢাকা আইনজীবী সমিতিতে এসে ওই অভিযোগ করেন।

তিনি সাংবাদিকদের জানান, তার ছেলে ২০১৩ সালের ২৪ নবেম্বর হতে কোহিনূর কেমিক্যাল কোম্পানি লিমিটেডের ঢাকাস্থ তেজগাঁও অফিসে জুনিয়র এক্সিকিউটিভ (লিগ্যাল এ্যাফেয়ার্স) হিসেবে কর্মরত ছিলেন। গত ১৫ ফেব্রুয়ারি ওই কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ রেজাউল করিমের সঙ্গে ভালুকা থানার জামিরাদিয়া মৌজায় পি.এ.নীট কম্পোজিট লিমিটেডের নামে ক্রয়কৃত ৭ বিঘা জমির নামজারি করা নিয়ে একটা বিরোধ সৃষ্টি হয়। এরপর ওই আইনজীবী ইস্তফা দিয়ে চলে আসেন। চাকরি ছেড়ে আসার সময় নিখোঁজ ওই আইনজীবী ওই অফিসে কর্মরত আরেক সহকর্মীর কাছ থেকে পাওনা পাঁচ লাখ ত্রিশ হাজার টাকা ফেরত চাইলে সহকর্মী তাকে তা ফেরত দেয়ার অঙ্গীকার করেন। তবে পরবর্তীতে ওই সহকর্মীও নিখোঁজ আইনজীবীকে তার পাওনা টাকা ফেরত দিতে অস্বীকার করে ও হুমকি দেয় বলে জানান নিখোঁজ আইনজীবীর মা।

চাকরি থেকে ইস্তফা দিয়ে ফেরত আসার পর কোম্পানির কাছ থেকে নানাভাবে হুমকি ধমকি পেতে থাকেন মর্মে গত ১৩ মার্চ তেজগাঁও জোনের উপপুলিশ কমিশনারের কাছে দেয়া পিটিশন থেকে জানা যায়। এরপর গত ২৩ মার্চ নিখোঁজ ওই আইনজীবী নিজের জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে কোহিনূর কেমিক্যাল কোম্পানির এমডি ও সহকর্মী এ্যাডভোকেট আরিফুজ্জামানের বিরুদ্ধে তেজগাঁও থানায় একটি জিডি করেন, যার নম্বর-১৪৪৪।

এছাড়া গত ২৩ মার্চ নিখোঁজ আইনজীবীকে কোহিনূর কেমিক্যাল কোম্পানির পক্ষ হতে একটি লিগ্যাল নোটিস প্রদান করা হয়। পরে নিখোঁজ ওই আইনজীবী গত ২৯ মার্চ ওই লিগ্যাল নোটিসের জবাব দেন। এর একদিন পর ৩০ মার্চ বেলা এগারোটার দিকে তেজগাঁও থানায় যাওয়ার কথা বলে বাসা থেকে বের হন। এরপর নিখোঁজ ওই আইনজীবী আর বাসায় না ফেরায় তার মা ৩০ মার্চ তেজগাঁও থানায় একটি জিডি করেছেন, যার নম্বর-১৮৯২।

নিখোঁজ ছেলের খোঁজে তিনি প্রথমে তেজগাঁও থানায় যান। কিন্তু থানা পুলিশ নিখোঁজ ছেলের বিষয়ে কোন সন্ধান জানাতে পারেনি। পরে কোহিনূর কেমিক্যাল কোম্পানির অফিসের গেটে গিয়েও ভেতরে ঢুকতে পারেননি। পরে ৩১ মার্চ বাড়ি থেকে আসা ছোট ছেলেকে নিয়ে তিনি ঢাকা আইনজীবী সমিতিতে এসে সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের কাছে একটি পিটিশন দিয়ে নিখোঁজ ছেলের সন্ধানে তাদের সহায়তা কামনা করেন।

এই মাত্রা পাওয়া