১৬ অক্টোবর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

জনগণের ভোটাধিকার নিয়ে ছিনিমিনি খেলার অধিকার কারো নেই : ওয়ার্কার্স পার্টি

স্টাফ রিপোর্টার ॥ দ্বিতীয় পর্যায়ের ইউনিয়ন নির্বাচনেও কেন্দ্র দখল, আওয়ামী লীগ প্রার্থীদের পক্ষে ব্যালটে সীল মেরে ভোট বাক্সে ঢুকানো, ব্যাপক সন্ত্রাস, অনিয়ম ও আচরণ বিধি ভঙ্গের মহোৎসব হয়েছে। এসব কিছুর মধ্য দিয়ে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার তৃণমূল পর্যায়ের এই নির্বাচনকে কুলসিত করেছে বলে ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক ফজলে হোসেন বাদশা অভিমত প্রকাশ করেছেন।

শনিবার সংবাদমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, প্রথম পর্যায়ের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের খারাপ অভিজ্ঞতার পর প্রত্যাশা ছিল, নির্বাচন কমিশন দ্বিতীয় পর্যায়ের নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ করার জন্য সক্রীয় ও উদ্যোগী হবে। কিন্তু দেখা গেলো প্রথম দফা নির্বাচনে সরকারী দলের সমর্থিত প্রার্থীদের সহিংসতা, প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থীদের বাড়ী ঘরে আক্রমণ, মারপিট, কেন্দ্র দখল করে নির্বাচন কর্মকর্তাদের সামনে ব্যালট সীল মারার ঘটনা আগেরটিকেও হার মানিয়েছে। নির্বাচন কমিশন স্বভাব সুলভ ভঙ্গিতে এসকল দায় পুলিশ প্রশাসনের উপর চাপিয়ে তাদের দায় এড়াতে চাইছেন। নির্বাচনে আচরণ বিধি মেনে চলতে বাধ্য করা এবং সহিংসতারোধে নির্বাচন কমিশনের যে দৃঢ় ও শক্তিশালী ভূমিকা থাকা প্রয়োজন তা না করে তারা নির্বিকার থেকেছেন, যা অত্যান্ত দুর্ভাগ্যজনক।

তিনি বলেন, এতকিছুর পরও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন সাধারণ জনগণের আগ্রহ রয়েছে, অংশ নিচ্ছে এবং ভোট প্রদানে সুযোগ চাইছে। জনগণের ভোটাধিকার নিয়ে ছিনিমিনি খেলার অধিকার কারো নেই। নির্বাচনী ব্যবস্থায় এই হাল অব্যাহত থাকলে জনগণ অচিরেই ভোটের উপর আস্থা হারাবে। আর এই অধিকার প্রয়োগের পরিবেশ তৈরী এবং বাস্তবায়নের দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের। কারো উপর দায় চাপিয়ে তারা পার পাবেন না। বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি আগে থেকেই বলে আসছে তৃণমূলে গণতান্ত্রিক রাজনীতির বিকাশ ঘটাতে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে ভয়ভীতিমুক্ত, অবাধ ও নিরপেক্ষ করতে হবে। প্রথম ও দ্বিতীয় পর্বের নির্বাচনে সেই প্রত্যাশার ঠিক উল্টো হয়েছে। তৃতীয় পর্যায়ের নির্বাচনে ঐ দুটি নির্বাচন থেকে শিক্ষা নিয়ে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টি ও জনগণের নির্বাচনের প্রতি আস্থা তৈরীর জন্য আহ্বান জানান হয়।