২১ নভেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

লালমনিরহাটে নির্বাচন পরবর্তী উত্তেজনা থানায় বসে এড়াতে সমঝোতা

নিজস্ব সংবাদদাতা, লালমনিরহাট ॥ জেলার হাতীবান্ধার ডাউয়াবাড়ি ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থকের মধ্যে উত্তেজনা ও নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতা এড়াতে থানায় বসিয়ে প্রার্থীদের মধ্যে সমঝোতা কিরেয় দেওয়া হয়েছে।

আজ শনিবার সকাল ১১ টায় জেলার হাতীবান্ধা উপজেলার ডাউয়াবাড়ি ইউনিয়নে বিজয়ী আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী চেয়ারম্যান প্রার্থী কায়েসের সাথে আওয়ামীলীগের সমর্থিত প্রার্থী মশিউরের সমর্থকের মধ্যে বাকবিতন্ডার জের ধরে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। এসময় উত্তেজনাকরা পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে বিজয়ী চেয়াম্যান কায়েস, নিকটমত প্রতিদ্বন্দি মশিউর ও ধানের র্শীষের প্রতিদ্বন্দি প্রার্থী মিলে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে নেয়। এই সময় আ’লীগের বিদ্রোহী বিজয়ী চেয়ারম্যান কায়েস ও মশিউররের মধ্যে ধাক্কা ধাক্কি সৃষ্টি হয়। বিদ্রোহী বিজয়ী প্রার্থী কায়েস ও তার সমর্থকরা আওয়ামীলীগের মনোনিত প্রার্থী নিকটতম প্রতিদ্বন্দি মশিউর রহমানকে প্রায় দুই ঘন্টা আটকে রাখে। এ সময় মশিউরের ছোট ভাই স্বাধীনকে বিদ্রোহী প্রার্থীর সমর্থকরা পিটিয়ে গুরুতর আহত করে বলে জানা যায়। প্রত্যক্ষদর্শী ও হাতীবান্ধা থানা সূত্রে জানা যায়, লোকমারফত খবর পেয়ে থানা পুলিশের একটি দল আওয়ামীলীগ মনোনিত প্রার্থী মশিউর রহমান কে উদ্ধার করে নিয়ে আসে। এই সময় আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী প্রার্থীকে কায়েসকে পুলিশ আটক করে থানায় নিয়ে যায়। পরে থানায় বসে দুই নেতার মধ্যে আলোচনা স্বাপেক্ষে আপোষ মিমাংসা হয়। আপোষ মিমাংসা করতে প্রায় বিকাল ৫ টা বেজে যায। এই ঘটনায় পুরো ডাউয়াবাড়ি ইউনিয়নে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। উত্তেজিত জনতা কোন কিছু বুঝে উঠার আগে বিএনপি সমর্থিত চেয়ারম্যান প্রার্থী ছাইয়াকুল( প্রাত্তন চেয়ারম্যান) এর বাড়ি ঘরে হামলা করে। বিএনপির প্রার্থীর বাড়ির গেটে ভাংচুর করে। পরে বিএনপির সমর্থকরা সুসংগঠিত হয়ে উত্তেজিত জনতাকে ধাওয়া করে। তবে বিকাল সাড়ে ৫ টার পর দুই প্রার্থীর মধ্যে আপোষ মিমাংসা হয়েছে। কায়েস চেয়ারম্যান ও মশিউর রহমানকে থানা পুলিশ ছেড়ে দিয়েছে। এই ঘটনার পর পরিস্থিতি শান্ত হয়ে যায়।

উল্লেখ্য, কায়েস ডাউয়াবাড়ি ইউনিয়নে আওয়ামীলীগের সভাপতি। তাঁকে আওয়ামীলীগ হতে মনোনয়ন দেয়া হয়নি। তিনি আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী প্রার্থী ( সতন্ত্র হিসাবে) নির্বাচন করে। ৩১ মার্চের নির্বাচনে জয়ী হয়। তার নিকটমত প্রতিদ্বন্দি ছিল আ’লীগের মনোনিত প্রার্থী মশিউর রহমান।