২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

ঝড়ে গাছ চাপায় নিহত এক ॥ ব্যাপক ক্ষতি

জনকণ্ঠ ডেস্ক ॥ ঝিনাইদহে ঝড়ে গাছ চাপা পড়ে মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছে। নীলফামারী ও পীরগঞ্জে ঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে ফসল, গাছপালা এবং ঘর ভেঙ্গে পড়ে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। খবর স্টাফ রিপোর্টার, নিজস্ব সংবাদদাতা ও সংবাদদাতাদের।

ঝিনাইদহ ॥ ঝড়ে গাছ চাপা পড়ে রানা আহম্মেদ (২৪) নামের এক মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছে। মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে ঝিনাইদহ-চুয়াডাঙ্গা সড়কের বোড়াইয়ে গাছ চাপা পড়লে তার মৃত্যু হয়। রানা আহম্মেদ সদর উপজেলার পোতাহাটী গ্রামের কামাল হোসেনের ছেলে।

নীলফামারী ॥ ডোমার উপজেলার কেতকীবাড়ি, ভোগডাবুরী ও গোমনাতি ইউনিয়নের ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া কালবৈশাখী ঝড়ে সহস্রাধিক পরিবারের বসতবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে। উপড়ে ও ভেঙ্গে পড়েছে অসংখ্য গাছপালা, বিদ্যুতের খুঁটি, শিলাবৃষ্টিতে নষ্ট হয়েছে বোরো ধান ও পাট। মঙ্গলবার রাতে এ ঘটনা ঘটে। ডোমার উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মশিয়ার রহমান বলেন, ঝড়ে ওই তিন ইউনিয়নে প্রাথমিকভাবে ১৩শ’ পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এর মধ্যে ভোগডাবুরী ইউনিয়নে ৫শ’, কেতকীবাড়ি ইউনিয়নে ৫শ’ এবং গোমনাতি ইউনিয়নে ৩শ’ পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ডোমার বিদ্যুত বিভাগের ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুল মতিন বলেন, ঝড়ে চিলাহাটিতে বিদ্যুতের খুঁটি ভেঙ্গে যাওয়ায় এবং সরবরাহ লাইনের তার ছিঁড়ে পড়ায় রাত ১১টা থেকে ওই এলাকার বিদ্যুত সরবরাহ বন্ধ আছে। মেরামত কাজ চলছে।

এদিকে কালবৈশাখী ঝড়ে ল-ভ- হয়েছে রংপুরের চার উপজেলার চার শতাধিক কাঁচা-আধাপাকা ঘরবাড়ি। উপড়ে পড়েছে সহস্রাধিক গাছপালা। ঘর ও গাছচাপায় আহত হয়েছেন ৪০ জন। বন্ধ ছিল ১১ ঘণ্টা বিদ্যুত সরবরাহ। এছাড়া বজ্রপাতে নিহত হয়েছে এক গৃহবধূ ও ৬টি গবাদি পশু। মঙ্গলবার মধ্য রাতে রংপুর সদর, বদরগঞ্জ, মিঠাপুকুর ও তারাগঞ্জ উপজেলার ওপর দিয়ে বয়ে যায় কালবৈশাখী ঝড়। এতে বিচ্ছিন্নভাবে ক্ষতি হয় ৪ শতাধিক কাঁচা-আধাপাকা ঘরবাড়ি, উপড়ে পড়ে অসংখ্য গাছপালা। ঝড়ের কারণে রংপুর-ঢাকা মহাসড়কেও যানচলাচল বন্ধ থাকে। রাত থেকে বুধবার সকাল ১০টা পর্যন্ত বন্ধ থাকে বিদ্যুত সরবরাহ। ঘর ও গাছচাপায় আহত হয়েছেন নারী-পুরুষ-শিশুসহ প্রায় ৪০ জন। ক্ষতিগ্রস্তরা খোলা আকাশের নিচে বসবাস করছেন।

পীরগঞ্জ, ঠাকুরগাঁও ॥ পীরগঞ্জ উপজেলায় কালবৈশাখী ঝড় ও শিলা বৃষ্টিতে ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। মঙ্গলবার রাতে প্রচ- ঝড় ও শিলা বৃষ্টিতে উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে দুই শতাধিক কাঁচা ঘর বাড়ি ভেঙ্গে গেছে। চলতি মৌসুমে পাকা বারো ধান, আম ও লিচু ঝরে গেছে।