১৯ ডিসেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

কোন্ জাদুতে মাধুরী!

  • মুজিবুর রহমান

মাধুরী পর্দায় এলে দর্শকের দিল ‘ধক ধক’ কর। বিশ্বায়ন পরবর্তী বিশ্বে কতকিছুই তো বদলে গিয়েছে, কিন্তু যেন পাল্টায়নি মাধুরীর মুখের হাসি। আজও যে কোন চরিত্রে তার হাসিমুখ দেখলেই যেন ঘিরে ধরে নব্বইয়ের নস্টালজিয়া। কোন রহস্যে এমন হাসিমুখে থাকেন মাধুরী?

হিন্দী সিনেমার নায়িকাদের ভুবনভোলানো হাসিমুখের যদি তালিকা হয়, তবে তিনি তো সামনের সারিতেই থাকবেন। মধুবালার স্নিগ্ধ হাসিমুখের সৌন্দর্য কিংবা নার্গিসের ঠোঁটের কোনা ঢেউ তোলা এলিগ্যান্ট হাসির পাশে পাশেই থাকবে সম্মোহন আর সরলতা মেশানো মাধুরীর হাসিমুখ?

তাঁর ক্যারিয়ারের যতজন পরিচালকের সঙ্গে তিনি কাজ করেছেন, প্রায় প্রত্যেকেই ক্লোজ আপে ধরে রেখেছেন মাধুরীর হাসিমুখ। টিকেটের দাম তুলতে দর্শকের জন্য যতই এ্যাকশনের আয়োজন থাক, থাক যতই নায়কের কেরামতি কিংবা গানা-নাচা, পরিচালক জানতেন, দর্শকের নিভৃত হৃদয়ে জেগে থাকবে মাধুরীর নির্মল হাসিটি। হয়েছেও তাই। তাঁর সময়ের অনেক নায়কই এখন কাঁচাপাকা চুলে বাবা কিংবা দাদার ভূমিকায় পর্দায় এসেছেন? পুরনো দিনের এ্যাকশন বদলে গিয়েছে সিক্স প্যাকের হিরোদের দাপাদাপিতে। কিন্তু আজও মাধুরীর হাসিমুখের কোন বিকল্প নেই।

শুধু পর্দায় নয়, ব্যক্তিগত জীবনেও হাসিমুখে থাকেন মাধুরী। কী তার রহস্য? প্রশ্নের মুখোমুখি হয়ে মাধুরী জানান, আর কিছু নয় জীবনের ছোট ছোট জিনিস তাঁকে খুশি করে তোলে।

তাঁর জন্য যখন মানুষ অপেক্ষা করেন, তাঁকে দেখে যখন হাসিমুখে অভ্যর্থনা জানান, তখন তিনি খুশি হন। হয়ত তাঁর বাচ্চারা সামান্য কিছু কাজ করেছে, কিন্তু তিনি খুব খুশি। বাচ্চাদের হাসিমুখ দেখে তিনি নিজেও হাসেন। মাধুরী জানান, ছোট ছোট জিনিসই তাঁকে এতটা আনন্দ দেয় যে তাঁকে সচরাচর গোমড়ামুখো হয়ে থাকতে হয় না।

যদি মাধুরী ব্যক্তিগত জীবনে এ রকম না হাসতেন, তা না হলে এমন ভুবনমোহিনী হাসি থেকে বঞ্চিতই হতেন ভারতীয় ও বিশ্বের দর্শকরা।