১৮ অক্টোবর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

নির্বাচনে সহিংসতার নেপথ্যে দায়ী অসহিষ্ণুতা ॥ সিইসি

স্টাফ রিপোর্টার, চট্টগ্রাম অফিস ॥ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সহিংসতার জন্য প্রধানত অসহিষ্ণুতাকেই দায়ী করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী রকিবউদ্দীন আহমদ। তিনি বলেন, নির্বাচনে সহিংসতা আমরা বিদেশে দেখি না, সেখানে ভোটকেন্দ্রে পুলিশও থাকে না। সেখানে শুধু ভোটকেন্দ্র দেখিয়ে দেয়ার জন্য ট্রাফিক পুলিশ মোতায়েন থাকে। তবে প্রতিবেশী দেশ ভারতের পশ্চিমবঙ্গেও অনেক সহিংসতা হয়। এটি বোধ হয় আমাদের উপমহাদেশীয় সংস্কৃতি।

সিইসি বৃহস্পতিবার দুপুরে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে আয়োজিত আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত সভা শেষে এ কথাগুলো বলেন। ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন উপলক্ষে আয়োজিত হয় এ সভা। সেখানে পুলিশ, প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বিভিন্ন সংস্থার কর্মকর্তা এবং নির্বাচনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

নির্বাচনে সহিংসতা নিয়ন্ত্রণে কমিশনের ক্ষমতা আরও বাড়ানো প্রয়োজন কিনা- এমন এক প্রশ্নের জবাবে সিইসি কাজী রকিবউদ্দীন আহমদ বলেন, পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচনেও অনেক সহিংসতা হয়েছে। এটি সম্ভবত উপমহাদেশীয় কালচার। দলীয় প্রতীকে নির্বাচন না হলে সংঘাত কম হত কি-না সে প্রশ্নের জবাবে সিইসি বলেন, সংঘাত অতীতেও হয়েছে। তাই সেটা বলা যায় না। সহিংসতার জন্য তিনি অসহিষ্ণুতাকেই দায়ী করে বলেন, ভোট এদিক-ওদিক হলেই একজন আরেকজনের মাথায় বাড়ি মারতে যায়। এ অসহিষ্ণুতা ক্রমেই বাড়ছে।

এ সভায় উপস্থিত ছিলেন- নির্বাচন কমিশনের সচিব সিরাজুল ইসলাম, বিভাগীয় কমিশনার রুহুল আমীন, সিএমপি কমিশনার ইকবাল বাহার, ডিআইজি শফিকুল ইসলাম, জেলা প্রশাসক মেজবাহ উদ্দিন ও পুলিশ সুপার কেএম হাফিজ আক্তার। তৃতীয় ধাপে চলমান নির্বাচন এবং চতুর্থ ও পঞ্চম ধাপের নির্বাচনকে সামনে রেখে চট্টগ্রামে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত এ বৈঠক।

এদিকে, চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে ভোটকেন্দ্র এলাকায় অস্ত্রসহ গ্রেফতার চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নুরুল আজিম রনির দুই বছরের দ- নিয়ে বিতর্ক প্রসঙ্গে সিইসি বলেন, রায় সঠিক হয়েছে কি-না তা উচ্চ আদালত দেখবে।