২০ অক্টোবর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

উবাচ

কান ধরেছে স্বেচ্ছায়

স্টাফ রিপোর্টার ॥ বিএনপির আসলামের পর না’গঞ্জে জাপা এমপি সেলিম ওসমান এখন দেশে সব থেকে সমালোচিত ব্যক্তি। আসলাম চৌধুরীর পক্ষে যেমন তার দল নির্লজ্জ প্রচারণা চালাচ্ছে। আসলামকে দুধে ধোয়া তুলসী পাতা বানানোর চেষ্টা করছে। ঠিক একইভাবে সারাদেশকে লজ্জায় ডুবিয়ে সেলিম ওসমানও গলা উঁচু করে বলছে যা করেছি বেশ করেছি। অবশ্য সেই ভাষা বা শব্দচয়ন ভব্যই বলা চলে। তিনি সাংবাদিকদের টেলিফোনে যেভাবে গালাগালি করেছেন অন্তত সেইভাবে নয়। অনেকটা শান্ত স্বরে থ্রেট করলেন পুরো জাতিকে। কিন্তু ওই শ্রদ্ধেয় শিক্ষক আসলেই ধর্ম নিয়ে কোন কটূক্তি করেছেন কি না, করলেও কি বলেছিলেন তা কিন্তু কেউ জানেনও না। এমনকি যে ছাত্রকে শাসন করতে গিয়ে ওই শিক্ষক নিজের দুর্ভাগের সূত্রপাত নিজেই করলেন, সেই ছাত্র একটি টিভি সাক্ষাতকারে স্বীকার করেছে ‘ওই দিন তার স্যার ধর্ম বা আল্লাহকে নিয়ে কোন কটূক্তি করেননি। তারা স্কুলে গিয়েছিল তাকে শাসন করার বিচার চাইতে। সত্যি এ কোন সময় এলো যখন শিক্ষক তার ছাত্রকে শাসন করতে পারবে না! শাসন করলে তাকে প্রথমে মেরে ঘরে আটকে রাখা হবে। আর পরে মানুষজন এসে বলবে তুমি ধর্ম নিয় কটূক্তি করেছ, তোমাকে কেটে টুকরো টুকরো করে ফেলব। আর সংসদ সদস্য এসে বলবেন ধর, কান ধর। কান ধরে উঠবস কর। আর যখন সারাদেশে নিন্দার ঝড় উঠবে তখন ওই সংসদ সদস্য সংবাদ সম্মেলন করে বলবে, ‘আল্লাহর কটাক্ষকারীর সাজা হয়েছে, কান ধরেছে স্বেচ্ছায়’। পুরো জাতিকে থ্রেট করার অধিকার একজন গোঁয়াড় এমপির আছে কি না ভেবে দেখা দরকার। অবশ্য শিক্ষক শ্যামল কান্তি ভক্ত বলেছেন সেদিন সেলিম ওসমান তার দুই গালে কষে দুটি করে চারটি চড় মারেন। এরপর বলেন, ‘শালা কান ধর।’

টাকার অভাব নেই

স্টাফ রিপোর্টার ॥ ঢাকার মেয়রের টাকার অভাব নেই। বিশ্বের কথা বাদই দেন। দেশের যে ক’টি নগর রয়েছে তার মধ্যে ঢাকার অবস্থা সব থেকে খারাপ। ঢাকার ভিআইপি রাস্তা ছাড়া ভেতরের ছোটখাটো রাস্তায় চলা দায়। জলাবদ্ধতা, আর রাস্তায় রাস্তায় ময়লার স্তূপ বলে দেয়। এ শহরের নগর পিতা দরিদ্রই শুধু নন হতদরিদ্র। কিন্তু সেই নগর পিতাই বড়াই করে বলছেন না টাকার কোন অভাব নেই। ঢাকা সিটি দক্ষিণের মেয়রের দায়িত্ব নেয়ার সময় ২৫০ কোটি টাকা ঘাটতি নিয়েই পথ চলা শুরু করেছিলেন ঢাকা দক্ষিণের নগর পিতা সাঈদ খোকন। কিন্তু সেই মেয়র প্রথম বর্ষপূর্তির অনুষ্ঠানে এসে বলেন ‘টাকার কোন অভাব নেই, উন্নয়ন থেমে থাকবে না। ঢাকা দক্ষিণ সিটির উন্নয়ন ও সৌন্দর্য বর্ধনে প্রধানমন্ত্রী আমাকে এক হাজার ৭শ’ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছেন। এত কাজ কত দিনে করব, সেটাই ঠিক করতে পারছি না।’ সাঈদ খোকন বলেন, এবারের বর্ষা মৌসুমে শান্তিনগরসহ আশপাশের এলাকার জলাবদ্ধতা অর্ধেকে নেমে আসবে আর আগামী বছর নাগাদ তা পুরোপুরি দূর হবে। রাস্তা ও ফুটপাথ উন্নয়ন, ড্রেন নির্মাণ ও পরিষ্কারের ফলে তা সম্ভব হবে। এছাড়া ঢাকা ওয়াসার সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে মানিকনগর এলাকায় পানি নিষ্কাশন পাম্প চালু হয়ে যাবে’। কিন্তু মেয়র নতুন হলেও এই সমস্যাগুলো অনেক পুরনো। আগেও মেয়ররা এসব সমস্যা সমাধানের চেষ্টা হচ্ছে, হবেÑ এর মধ্যে ছিলেন এখনও তাই আছে। কিন্তু শহরের শ্রীহীন অবস্থাই বলে দেয় সত্যিকারে সেদিন আসার এখনও অনেক দেরি।

ছবি ‘র’ দিছে

স্টাফ রিপোর্টার ॥ সরকার উৎখাতের চক্রান্ত করতে গিয়ে উল্টো ফেঁসে গেছে বিএনপি। এখন সারাদেশে এক আলোচনা আসলাম, আসলাম আর আসলাম। আসলামের সঙ্গে নাম এসেছে ইসরাইলের গোয়েন্দা

সংস্থার এক এজেন্টের। তিনি ওই দেশের লিকুদ পার্টির মেন্দি এন সাফাদি, যিনি ইসরাইলের বর্তমান সরকারের উপমন্ত্রী এম কে আয়ুব কারার সাবেক উপদেষ্টা। নিজের নামে মেন্দি এন সাফাদি সেন্টার ফর ইন্টারন্যাশনাল ডিপ্লোমেসি এ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস প্রতিষ্ঠানটি চালান। পুলিশ ধারণা করছে আসলামও মোসাদের বাংলাদেশী এজেন্ট। বিএনপি শেষ পর্যন্ত ক্ষমতায় যেতে নির্বিচারে ফিলিস্তিনী মুসলমান হত্যাকারী ইসরাইলের সঙ্গেই হাত মেলাল। ফুলের মালা গলায় দিয়ে মেন্দির সঙ্গে ছবি তুলেছেন আসলাম। বিএনপি নেতার ছবি প্রকাশের পর বলা হচ্ছে এই আলোচনা ব্যবসায়িক। ইসরাইলের সঙ্গে আসলাম চৌধুরীর কোন ব্যবসা আছে কি না, থাকলেও তা কত দিন থেকে তার কোন প্রমাণ এখনও বিএনপি হাজির করতে পারেনি।

তবে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য হান্নান শাহ বলছেন, ছবির পেছনে যে ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থার হাত আছে, বিএনপিকে ম্যালাইন করার জন্য, বিএনপিকে অপবাদ দেয়ার জন্য। একটু লম্বা মানুষ তো। আর্মিতে আছে, যারা লম্বা মানুষ হয়, তারা একটু বোকা হয়, তাদের বুদ্ধি কম হয়। ছবিটি ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা ‘র’ থেকে এসেছিল, আমি জানি। হান্নান শাহ বলেন, ছবি উঠেছে, আমরা তো অস্বীকার করছি না। উনিও (আসলাম) অস্বীকার করছেন না। উনি বলেছেন, আমার সঙ্গে হোটেলে দেখা হইছে, উনি (ইসরাইলী) একটা ছবি উঠাইতে চাইছে। বলছেন, আমি উঠাইছি।

এই মাত্রা পাওয়া