১৪ ডিসেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

তীব্র পানি সঙ্কটে বিপর্যস্ত চট্টগ্রাম নগরবাসী

স্টাফ রিপোর্টার ॥ প্রচ- গরমের মধ্যে তীব্র পানি সঙ্কটে বিপর্যস্ত চট্টগ্রাম নগরবাসী। অবস্থাপন্নরা বোতলজাত পানি দিয়ে প্রয়োজনের কিছুটা মেটালেও বস্তি এলাকায় নেমে এসেছে চরম দুর্ভোগ। বিদ্যুত সঙ্কটের পাশাপাশি স্তর নিচে নেমে যাওয়ায় গভীর নলকূপ থেকেও পাওয়া যাচ্ছে না প্রয়োজনীয় পানি। চলমান প্রকল্প থেকে পানি সরবরাহ শুরু হলে সঙ্কট অনেকটা কেটে যাবে বলে দাবি চট্টগ্রাম ওয়াসার। গরমের তীব্রতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে নগরীতে বাড়ছে পানির চাহিদা। সে তুলনায় বাড়ছে না সরবরাহ। কলসি নিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়েও পাচ্ছে না কাক্সিক্ষত পানি। পানির এ সঙ্কট বাসাবাড়ি থেকে শুরু করে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানেও। নানা সমস্যা ও নিজেদের অসহায়ত্বের কথা স্বীকার করে, সরবরাহকারী ১২টি ট্রাক দিয়ে পানির সঙ্কট নিরসনে কোন রকমে চেষ্টা চালাচ্ছে ওয়াসা।

চট্টগ্রাম ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী একেএম ফজলুল্লাহ বলেন, ‘গরমের সময় আমাদের পানি উৎপাদন ক্ষমতা কমে প্রায় ১৮ থেকে ১৯ কোটি লিটারে চলে আসে। আমরা এটাকে ২০-এর ওপর রাখার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করছি।’

তবে এ বছরের শেষের দিকে রাঙ্গুনিয়ার কর্ণফুলী পানি শোধনাগার প্রকল্প চালু হলে পানি সঙ্কট অনেকটা কেটে যাবে বলে জানালেন চট্টগ্রাম ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী একেএম ফজলুল্লাহ। তিনি বলেন, ‘৯ কোটি লিটার আমরা সরবরাহ করি মাটির উপরিভাগের জলাশয় থেকে। বাকি ১২ কোটি লিটার বিভিন্ন টিউবওয়েল থেকে সরবরাহ করি। টিউবওয়েলের পানি সবচেয়ে অনিশ্চিত। এটা থেকে পানি উৎপাদন ক্ষমতা যেটা শুরুতে থাকে পরে সেটা থাকে না। ক্রমান্বয়ে কমতে থাকে।’ নগরীর ৫৫ লাখ মানুষের দৈনিক পানির চাহিদা ৫০ কোটি লিটার। অন্যান্য সময় ওয়াসা ২১ কোটি লিটার পানি সরবরাহ করলেও এখন তা নেমে এসেছে ১৭ থেকে ১৮ কোটি লিটারে।