২২ অক্টোবর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

শরীয়তপুর হাসপাতালে আরএমও একাই এক শ’

  • সিভিল সার্জনের সঙ্গে কথা বলতে বলেছেন

নিজস্ব সংবাদদাতা, শরীয়তপুর, ২০ মে ॥ বিসিএস পরীক্ষায় চাকরি হয়নি, সদর হাসপাতালে নিয়োগ হয়নি ডাক্তার হিসেবে। তারপরও শরীয়তপুর সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসারের (আরএমও) পদটি কব্জা করে ডাঃ শেখ মোস্তফা খোকন ব্যাপক অনিয়ম, দুর্নীতি আর স্বেচ্ছাচারিতা করছেন। হাসপাতালে হাজিরা দিয়েই নিজের ক্লিনিকসহ বাইরে প্রাইভেট প্র্যাকটিসে চলে যান তিনি। কোন অপারেশনের রোগী এলেই নিজের ক্লিনিকে পাঠানোর চেষ্টাসহ হাসপাতালের দামী ওষুধ ক্লিনিকে পাচারের অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে। অস্বাভাবিক মৃত্যুর লাশের ময়নাতদন্তের রিপোর্ট ও মারামারি রোগীর সার্টিফিকেট বিক্রিসহ নানা দুর্নীতির মাধ্যমে বৈভবের মালিক হচ্ছেন তিনি। এদিকে জেলা সদরের একমাত্র ১০০ শয্যার সরকারী হাসপাতালের স্বাস্থ্যসেবা ভেঙ্গে পড়েছে। জানা গেছে, ২০১০ সালের জুলাই মাসে এডহক ভিত্তিতে শরীয়তপুর সদর উপজেলার রুদ্রকর ইউনিয়নের উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ডাক্তার হিসেবে নিয়োগ লাভ করেন ডাঃ শেখ মোস্তফা খোকন। গ্রামাঞ্চলের মানুষের স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্যোগে এডহক ভিত্তিতে নিয়োগ দেয়া হয় ডাক্তারদের। স্থানীয়রা জানান, রুদ্রকর ইউনিয়নের উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ডাক্তার হিসেবে নিয়োগ লাভ করার পর একদিনের জন্যও সেখানে রোগী দেখেননি ডাঃ শেখ মোস্তফা খোকন। তদ্বিরের মাধ্যমে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে ডেপুটেশনে এসে দায়িত্ব পালন করছেন তিনি। এখানেই থেমে থাকেননি। শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে সকল সিনিয়র ডাক্তারদের পিছনে ফেলে আবারও তদ্বির করে আবাসিক মেডিক্যাল অফিসারের দায়িত্ব পালন করার জন্য বিভাগীয় পরিচালকের কাছ থেকে নির্দেশনা এনে জুড়ে বসেছেন তিনি। ডাঃ শেখ মোস্তফা খোকন আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার হিসেবে যোগদান করার পর থেকেই ভেঙ্গে পড়েছে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালের স্বাস্থ্যসেবা। অনভিজ্ঞ, অদক্ষ ও চাকরিতে জুনিয়র ডাঃ শেখ মোস্তফা খোকনকে আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার হিসেবে মেনে নিতে পারছেন না হাসপাতালে কর্মরত অভিজ্ঞ ও সিনিয়র ডাক্তাররা। ডাঃ শেখ মোস্তফা খোকন বলেন, এসব বিষয় সম্পর্কে আমার উর্ধতন কর্তৃপক্ষ ও সিভিল সার্জনের সাথে কথা বলেন।