১৬ অক্টোবর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

যশোরে বাস চাপায় কার চালক নিহত ॥ ৪ যাত্রী আহত

স্টাফ রিপোর্টার, যশোর অফিস ॥ বাসচাপায় প্রাইভেট কার চালক নিহত ও ৪ যাত্রী আহত হয়েছেন। শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে যশোর-মাগুরা মহাসড়কের যুব উন্নয়ন অধিদফতরের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত কার চালক আসাদুজ্জামান (৩২) যশোর শহরের বারান্দী মোল্লাপাড়া বাঁশতলা এলাকার সেকেন্দার আলীর ছেলে। আহতরা হলেন, মণিরামপুর উপজেলার শ্যামপুর গ্রামের জিয়াউর রহমান (৩৫) ও তার স্ত্রী সোনিয়া খাতুন (৩০) এবং এই দম্পতির সন্তান তাসিম (৩) ও কেশবপুরের ভালুকঘর গ্রামের শামীম (২৭)। আহতদের যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

যশোরে গৃহবধূর

রহস্যজনক মৃত্যু, স্বামী আটক

স্টাফ রিপোর্টার, যশোর অফিস ॥ জেসমিন খাতুন (১৯) নামে এক গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। তার স্বজনদের দাবি, তাকে মারপিট করে হত্যা করা হয়েছে। তবে শ্বশুরবাড়ির লোকজনের দাবি জেসমিন আত্মহত্যা করেছেন। শুক্রবার সকালে তার মৃতদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। দুপুরে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে তার ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়। একই সাথে মৃতের স্বামী ফিরোজ হোসেনকে পুলিশ আটক করে। মৃত জেসমিন শহরের পুরাতন কসবা লিচুবাগান এলাকার ফিরোজ হোসেনের স্ত্রী ও সদর উপজেলার বিরামপুর গ্রামের আয়ুব হোসেনের মেয়ে। আয়ুব হোসেনের অভিযোগ, তার মেয়ে জেসমিনকে যৌতুকের জন্য প্রায়ই মারপিট করত স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন। শুক্রবার ভোরের দিকে তাকে হত্যা করে ঘরের আড়ার সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখা হয়। এবং আত্মহত্যা বলে প্রচার চালানো হয়।

টঙ্গীবাড়িতে থানায়

অভিযোগ করে

বিপাকে ধর্ষিতা

স্টাফ রিপোর্টার, মুন্সীগঞ্জ ॥ টঙ্গীবাড়ি উপজেলার চিত্রকড়া গ্রামে মালয়েশিয়া প্রবাসীর ৪ সন্তানের জননীর গণধর্ষণের শিকার হওয়ার পর থানায় অভিযোগ করে বিপাকে পড়েছেন। এলাকার কতিপয় গ্রাম্য মাদবর ধর্ষকের কাছ হতে টাকা খেয়ে ওই ধর্ষিতাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও গ্রাম ছাড়া করার হুমকি দিচ্ছে বলে ধর্ষিতা গৃহবধূ (২৬) মুঠো ফোনে শুক্রবার জানিয়েছে। এর আগে ওই ধর্ষিতার বিচার নিয়ে তালবাহান শুরু করে ওই এলাকার গ্রাম্য মতবররা। পরে গৃহবধূ বাধ্য হয়ে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ৭ জনকে আসামি করে টঙ্গীবাড়ি থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করে।

জানা গেছে, দশত্তর গ্রামের মালয়েশিয়া প্রবাসী এক ব্যক্তির স্ত্রী ৪ সন্তানের জননি গত রবিবার রাতে তার বাবার বাড়ি চিত্রকড়া গ্রামের বসতঘরে ঘুমিয়েছিলেন। রাত আনুমানিক ১টার দিকে ৭ ধর্ষক গৃহবধূর শোবার ঘরের পাঠখড়ির বেড়া খুলে ভিতরে ঢুকে মুখে উড়না বেঁধে পালাক্রমে ধর্ষণ করে পালিয়ে যায়। পরে গৃহবধূর চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে তাকে উদ্ধার করে টঙ্গীবাড়ি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যায়। নির্যাতিতা গৃহবধূ বলেন, ধর্ষক হাসাইল গ্রামের কাসেম মল্লিকের ছেলে বধুউজ্জামান দীর্ঘ একবছর যাবৎ আমাকে বিভিন্নভাবে যৌন হয়রানি করে আসছিলো। তার জন্য আমি ঠিকমতো বাড়ি থেকে বের হতে পারতাম না। বের হলেই আমার পিছু নিয়ে বিভিন্ন রকম কুপ্রস্তাব দিত।