১৫ নভেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

ওসমান পরিবার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে ॥ শাহরিয়ার কবির

ওসমান পরিবার বিষয়ে  প্রধানমন্ত্রীকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে ॥  শাহরিয়ার কবির

স্টাফ রিপোর্টার, যশোর অফিস ॥ ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শাহরিয়ার কবির বলেছেন, নারায়ণগঞ্জে শিক্ষক শ্যামল কান্তি ভক্তের পাশে দাঁড়িয়েছে সারাদেশের মানুষ। যেমনটি দাঁড়িয়েছিল ২০০১ সালে পূর্ণিমা ধর্ষণের ঘটনায়। তাই ওসমান পরিবারের ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। শুক্রবার দুপুরে প্রেসক্লাব যশোরে জেলা ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি আয়োজিত চলমান সাম্প্রদায়িক সহিংসতার অবসানে সরকার ও নাগরিক সমাজের করণীয় শীর্ষক মতবিনিময় সভায় এ কথা বলেন।

যে কোন মূল্যে সাম্প্রদায়িক সহিংসতা বন্ধের দাবি জানিয়ে শাহরিয়ার কবির বলেন, সংখ্যালঘুদের সুরক্ষায় তিন দফা দাবি বাস্তবায়ন করতে হবে। দাবিগুলো হলো- সংখ্যালঘু সুরক্ষা আইন (ফৌজদারি), জাতীয় সংখ্যালঘু কমিশন গঠন ও সংখ্যালঘু কল্যাণ মন্ত্রণালয় চালু করতে হবে। শাহরিয়ার কবির উল্লেখ করেন, খুব শীঘ্রই সাম্প্রদায়িক সহিংসতার শ্বেতপত্র প্রকাশ করা হবে। এতে ২০১৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সাম্প্রদায়িকতার চিত্র তুলে ধরা হবে। সাম্প্রদায়িক সহিংসতা বন্ধে সরকারকে উদ্যোগী হতে হবে। এজন্য প্রশাসনকে কার্যকর ভূমিকা পালন করতে হবে।

মতবিনিময় সভায় সাবেক প্রধান বিচারপতি শামসুদ্দীন চৌধুরী মানিক বলেন, ‘আওয়ামী লীগ অসাম্প্রদায়িক দল। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘ধর্ম যার যার রাষ্ট্র সবার’। কিন্তু নব্য আওয়ামী লীগাররা দলকে সাম্প্রদায়িক দলে পরিণত করার চেষ্টা করছে। তিনি বলেন, ‘প্রশাসনে নিয়োগের ক্ষেত্রে দলীয়করণ ঠিক না। তবে প্রশাসনে যাতে স্বাধীনতাবিরোধীরা চাকরি না পায় সেদিকেও লক্ষ্য রাখতে হবে।’

যশোরের গণজাগরণ মঞ্চের আহ্বায়ক কাজী আবদুস শহীদ লালের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক কাজী মুকুল, জেলা সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি ডিএম শাহিদুজ্জামান, ইত্তেফাকের সাংবাদিক আহমেদ সাঈদ বুলবুল, জনকণ্ঠের সাজেদ রহমান বকুল প্রমুখ। স্বাগত বক্তব্য রাখেন ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির জেলা শাখার সভাপতি হারুন অর রশিদ।