১৬ অক্টোবর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

শব-ই-বরাত উপলক্ষে নিরাপত্তা জোরদার

শব-ই-বরাত উপলক্ষে নিরাপত্তা জোরদার

স্টাফ রিপোর্টার ॥ পবিত্র শব-ই-বরাত ও মাহে রমজানের পবিত্রতা রক্ষায় সারাদেশে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। সেই সঙ্গে চলছে বিশেষ অভিযান। পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে বিস্ফোরক দ্রব্য, আতশবাজি, পটকাবাজি, অন্যান্য ক্ষতিকারক ও দূষণীয় দ্রব্য বহন এবং ফোটানো। ঢাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালতও মাঠে নামছে।

ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার মোঃ আছাদুজ্জামান মিয়া স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, আগামীকাল রবিবার দিবাগত রাতে পবিত্র শব-ই-বরাত উদ্যাপিত হবে। এ রাতের পবিত্রতা রক্ষার্থে এবং পবিত্র শব-ই-বরাতের অনুষ্ঠান সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে উদ্যাপন নিশ্চিতকরণকল্পে ঢাকা মহানগর এলাকার শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষায় রবিবার সন্ধ্যা ছয়টা থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত ক্ষার জাতীয় বা বিস্ফোরক দ্রব্য, আতশবাজি, পটকাবাজি, অন্যান্য ক্ষতিকারক ও দূষণীয় দ্রব্য বহন এবং ফোটানো নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

ডিএমপির মিডিয়া বিভাগের উপ-কমিশনার মো. মারুফ হোসেন সরদার জানান, ঢাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। পাশাপাশি পবিত্র শব-ই-বরাত ও মাহে রমজানের পবিত্রতা রক্ষা এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে রাজধানীতে বিশেষ অভিযান চলছে। এছাড়া মাদকের স্পটগুলোতেও অভিযান চলছে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সূত্রে জানা গেছে, সারাদেশে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। রাজধানীসহ দেশের গুরুত্বপূর্ণ জায়গা, স্থাপনা ও ভবনে বাড়তি সিসি ক্যামেরা ও আর্চওয়ে মেটাল ডিটেক্টর বসানো হয়েছে। বাড়ানো হয়েছে গোয়েন্দা নজরদারি। রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভাগীয় শহরগুলোর ভেতরে ও প্রবেশ পথগুলোতে বসানো হয়েছে বিপুলসংখ্যক চেকপোস্ট। মহানগরীর কঠোর নজরদারি করতে উঁচু ভবনের ছাদে বসানো হয়েছে ওয়াচ টাওয়ার। ওয়াচ টাওয়ার থেকে শক্তিশালী বাইন্যুকোলারের সাহায্যে নগরীর বিভিন্ন পয়েন্টে নজরদারি করা হচ্ছে।

রাজধানীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভ্রাম্যমাণ আদালতও নামছে। ভ্রাম্যমাণ আদালতের পাশাপাশি বাড়তি পুলিশ, র‌্যাব ও গোয়েন্দা মোতায়েন করা হয়েছে। মাঠে থাকছে মহিলা গোয়েন্দা পুলিশের একাধিক টিম। আপদকালীন মুহূর্ত মোকাবেলায় পুলিশ ও র‌্যাবের বম্ব ডিসপোজাল ইউনিট, ক্রাইসিস রেসপন্স টিম, সোয়াট, র‌্যাবের ডগ স্কোয়াড ও সিআইডির ক্রাইম সিন প্রস্তুত রয়েছে। রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ স্থান, ভবন, ঐতিহাসিক স্থাপনা, উপাসনালয়সহ গুরুত্বপূর্ণ ভবন ও স্থাপনাগুলো থাকছে বিশেষ নিরাপত্তা বলয়ের মধ্যে। গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদেরও নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। কূটনৈতিকপাড়াসহ রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোতে পুলিশ ও র‌্যাবের বাড়তি সদস্য টহল দিচ্ছে। এসব এলাকার ওপর নজরদারি করতে বেশকিছু অস্থায়ী মনিটরিং সেন্টার স্থাপন করা হয়েছে। সারাদেশে আঁতশবাজি ক্রয়-বিক্রয় মনিটরিং করতে বাড়ানো হয়েছে গোয়েন্দা নজরদারি।