১৬ অক্টোবর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

বাংলাদেশের বাজেট এখনও ছোট ॥ মুহিত

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ জিডিপি প্রবৃদ্ধি হারে পৃথিবীর ইতিহাসে এখনও বাংলাদেশের বাজেট ছোট বলে মন্তব্য করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। তিনি বলেন, বাজেট সর্বদা উচ্চাভিলাষী হওয়া প্রয়োজন। তাই আগামী বাজেটের আকারও বাড়ানো হয়েছে। অর্থমন্ত্রী বলেন, দেশের অর্থনীতির মাত্র ২০ ভাগ সরকারের হাতে, বাকি ৮০ শতাংশ বেসরকারী খাত পরিচালনা করছে। তাই বেসরকারী খাতকেই সবচেয়ে গুরুত্ব দেয়া হবে। এজন্য আসছে ২০১৬-১৭ অর্থবছরের বাজেটে রফতানি খাতে প্রণোদনা অব্যাহত রাখা হবে। আর নীতিগত সহায়তার মাধ্যমে ঋণের বিপরীতে সুদ হার কমিয়ে আনার পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার।

শুক্রবার রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে এনটিভি ও এফবিসিসিআইয়ের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ‘কেমন বাজেট চাই-২০১৬-১৭’ শীর্ষক মতবিনিময় অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত এসব কথা বলেন। এই অনুষ্ঠানে প্যানেল আলোচক হিসেবে অংশ নেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত, বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ, বিজিএমইএর সভাপতি মোঃ সিদ্দিকুর রহমান, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ড. এ বি মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম, অর্থনীতিবিদ ড. ওয়াহিদ উদ্দীন মাহমুদ।

এছাড়া ওই অনুষ্ঠানে অংশ গ্রহণ করেন দেশের শীর্ষ স্থানীয় অর্থনীতিবিদ, ব্যবসায়ী-চেম্বার নেতৃবৃন্দ, ব্যাংকারসহ বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ। অনুষ্ঠানটি রাত সোয়া আটটায় সরাসরি সম্প্রচার করে এনটিভি। অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনা করেন এফবিসিসিআই সভাপতি আবদুল মাতলুব আহমাদ। নিউইয়র্ক ও চট্টগ্রামে আলাদা স্টুডিওতে মূল অনুষ্ঠানের সঙ্গে সংযোগ ঘটিয়ে সরাসরি আলোচনার ব্যবস্থা করা। ঢাকার বাইরে এই দুই স্টুডিওতে অংশ নেন স্থানীয় ব্যবসায়ী ও অর্থনীতিবিদরা।

আলোচনায় অংশ নিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, গর্বের বিষয় ধারবাহিকভাবে আমি এবার অষ্টম বাজেট দিতে যাচ্ছি। আর ইতোপূর্বে আরও দুবার বাজেট দেয়ার সুযোগ হয়েছে। তাই এটি হচ্ছে আমার দশম বাজেট। তবে এখনও বাজেটে নতুনধারা সৃষ্টি করা যাচ্ছে না। ভবিষ্যতে যে বাজেট হবে তাতে আয়-ব্যয় সহজে দেখা যাবে। এছাড়া এবার মেগা প্রকল্পগুলোর জন্য স্বতন্ত্র বাজেট দেয়া হচ্ছে।

ব্যবসায়ী ও স্টেক হোল্ডারদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে মুহিত বলেন, আগামী বাজেটে অভ্যন্তরীণ সম্পদ সৃষ্টির ওপর জোর দেয়া হচ্ছে। শুধু তাই নয়, পোশাক খাতের পাশাপাশি উদীয়মান চামড়া, ওষুধ, প্লাষ্টিক, জাহাজ, কৃষিজাত পণ্য, ফার্নিচার, কাপড়, জুতার মতো শিল্পখাতকে অগ্রাধিকার দেয়া হবে। এসব খাত বিকাশে প্রণোদনা ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা অব্যাহত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। তিনি বলেন, সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতায় ৫০ লাখ মানুষকে ভাতাসহ সুযোগ-সুবিধা প্রদান করা হচ্ছে।