১৬ অক্টোবর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

ভোলায় ঝড়ে ৫ শতাধিক দোকান ঘরবাড়ি লন্ডভন্ড ॥ নিহত-২

ভোলায় ঝড়ে ৫ শতাধিক দোকান ঘরবাড়ি লন্ডভন্ড ॥ নিহত-২

নিজস্ব সংবাদদাতা, ভোলা ॥ ঘুর্নি ঝড় রোয়ানুর প্রভাবে ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলার শশীগঞ্জ বাজারের শতাধিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সহ ৫ শতাধিক ঘর বাড়ি লন্ডভন্ড হয়ে গেছে। এ সময় ঘর চাপা পড়ে ষষ্ঠ শ্রেনীর ছাত্র আক্রাম ও রেখা নামে এক গৃহবধু নিহত হয়েছে। এছাড়া আহত হয়েছে অন্তত শতাধিক লোক। ভোলা-তজুমদ্দিন-চরফ্যাসন সড়কের উপর বিভিন্ন স্থানে গাছ পড়ে যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে। এছড়া নিন্ম চাপের প্রভাবে ভোলার নিন্মাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এর মধ্যে চরফ্যাসন উপজেলার পর্যটন এলাকা কুকরি মুকুরি ইউনিয়নে বেড়ি বাধের স্লুইজ গেইট না থাকায় প্রায় ১০ হাজার লোক অতিজোয়ারে পানি বন্ধি হয়ে পড়েছে। অপর দিকে লালমোহনের লডহাডিঞ্জ ইউনিয়নের উত্তর লডহাডিঞ্জ পাটারি হাটের দক্ষিন পাশে পানি উন্নয়ন বোর্ডের বেড়ি বাধ ভেঙ্গে ৭টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। ওই সব এলাকায় অন্তত এক হাজার লোক পানি বন্ধি হয়ে পড়ে।

তজুমদ্দিন উপজেলার চেয়ারম্যান অহিদুল্লাহ জসিম জানান, রাত ৩ টার দিকে প্রায় ২০ মিনিটের টনের্ডোর মতো ঘুর্নিঝড়ে তাদের শশীগঞ্জ বাজার লন্ডভন্ড হয়ে গেছে। তার বাড়ির পাশে বড় বাড়িতে ঘর চাপা পড়ে মফিজের ছেলে ষষ্ঠ শ্রেীর ছাত্র আক্রাম গুরুতর আহত হয়। রাতেই তাকে হাসপাতালে নেয়া হলে ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষনা করে। এছাড়া বাজারের অন্তত এক শ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের বিধ্বস্ত হয়েছে। ওইসব প্রতিষ্ঠানের ঘরের চালা এক স্থান থেকে অন্য স্থানে নিয়ে গেছে। বিদ্যুতের অন্ত ৫/৭টি পিলার ভেঙ্গে পড়েছে। অপর দিকে তজুমদ্দিনের চাঁদপুর ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ডে ঘর চাপা পড়ে নয়নের স্ত্রী রেখা (৩৫) নিহত হয়েছে।

অপর দিকে চরফ্যাসন উপজেলার কুকরি মুকরি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবুল হাসেম জানান, তার এলাকায় বেড়ি বাধে ১২টি পয়েন্টে স্লুইজ গেইট না থাকায় অতি জোয়ারের পানিতে প্রায় ১০ হাজার লোক পানি বন্ধি হয়ে পড়েছে। একই অবস্থা সাগর মোহনার অপর ইউনিয়ন ঢাল চরে ৩/৪ ফুট পানিতে প্লাবিত হয়েছে। সেখানেও প্রায় এক হাজার লোক পানি বন্ধি হয়ে পড়েছে। অন্য দিকে মনপুরা উপজেলার সাকুচিয়া ইউনিয়নে বেশ কয়েকটি বাড়ি ঘর বিধ্বস্ত হয়েছে।

এ ছাড়া পুরো জেলার উপর দিয়ে সকাল থেকে ঝড়ো বাতাস বৃষ্টি চলছে।

ভোলা জেলা প্রশাসক মোহাং সেলিম উদ্দিন জানান,তজুমদ্দিনে এক শিশু ঘর চাপা পড়ে মারা যাওয়ার খবর তিনি শুনেছেন। এছাড়া বিভিন্ন এলাকার ক্ষয়ক্ষতির খবর তিনি নিচ্ছেন।