১৪ নভেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ

স্টাফ রিপোর্টার ॥ আসন্ন ঈদ উপলক্ষে মুক্তিযোদ্ধাদের মাঝে ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ করেছে মুক্তিযোদ্ধাদের সংগঠন ন্যাশনাল এফ. এফ. ফাউন্ডেশন। সংগঠনটির পক্ষে ৫০০ মুক্তিযোদ্ধাকে শাড়ী, পাঞ্জাবী ও লুঙ্গী উপহার দেয়া হয়। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে মুক্তিযোদ্ধাদের হাতে উপহার সামগ্রী তুলে দেন।

মঙ্গলবার সকালে মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়স্থ বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতির সামনে মুক্তিযোদ্ধাদের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ অনুষ্ঠানটি জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনের মাধ্যমে শুরু হয়। অনুষ্ঠানে সংগঠনের সভাপতি ড. এস. এম জাহাঙ্গীর আলমের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের কণ্ঠশিল্পী ও ন্যাশনাল এফ এফ ফাউন্ডেশনের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান মনোরঞ্জন ঘোষাল ও সংগঠনের সভাপতি মজনুর রহমান চৌধুরী।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেন, পাকিস্তানিরা স্বাধীনতা যুদ্ধে পরাজিত হলেও রাজাকারদের পরাজিত করা সম্ভব হয়নি। তাই বার বার স্বাধীনতার স্বপক্ষের শক্তির উপর আঘাত আসছে। এরা সারাবছরই ষড়যন্ত্র করে চলছে। মুক্তিযোদ্ধা ভাইদের বলি ৭১’সালে পাকিস্তানিদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে যেভাবে দেশ স্বাধীন করেছি তেমনি রাজকারদের প্রতিহত করতে আপনাদের সর্বদা তৈরি থাকতে হবে।

মন্ত্রী বলেন, বিএনপি-জামাত দেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রাকে নৎসাৎ করতে অপপ্রচারে লিপ্ত। সারা বছর তারা একের পর এক ষড়যন্ত্র করেই চলছে। পরাজিত শক্তির সঙ্গে হাত মিলিয়ে খালেদা জিয়া এই ষড়যন্ত্র করছেন। ষড়যন্ত্রে সফল না হয়ে হতাশাগ্রস্থ খালেদা জিয়া মোসাদের সঙ্গে হাত মিলিয়েছেন।

বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মাঝে সেবামূলক কর্মকান্ড ও বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কাজ করায় সংগঠনটিকে ধন্যবাদ জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, অস্বচ্ছল বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মাঝে ঈদের উপহার সামগ্রী বিতরণের মধ্য দিয়ে সংগঠনটি অস্বচ্ছল মুক্তিযোদ্ধা ভাইদের ঈদের আনন্দকে রঙিন করে তুলেছে।

স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের কণ্ঠশিল্পী মনোরঞ্জন ঘোষাল তার বক্তব্যে বলেন, দেশকে স্বাধীন করতে পাকিস্তানী ও রাজাকারদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছি। তবে বর্তমান রাজকারদের পরাজিত করতেও আমাদের প্রস্তুত থাকতে হবে। সংগঠনের সভাপতি ড. এস. এম. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, চলমান সাম্প্রদায়িক ও জঙ্গীবাদ বিরোধী আন্দোলনে মুক্তিযোদ্ধাদের স্ব স্ব অবস্থান থেকে এগিয়ে আসা উচিৎ। প্রয়োজনে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সম্পৃক্ততা ও সমন্বয় রেখে জঙ্গিবাদ প্রতিরোধে সচেষ্ঠ ভূমিকা রাখতে হবে।